মঙ্গলবার

২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিইসির মন্তব্যে পাঁচশ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চান চরমোনাই পীর

Paris
Update : শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০২৩

এফএনএস

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশে মেয়র প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের ওপর হামলা নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের বক্তব্যকে দায়িত্বহীন ও কুরুচিপূর্ণ অ্যাখ্যায়িত করে ৫০০ কোটি ক্ষতিপূরণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়াও লিগ্যাল নোটিশে তাকে পদত্যাগ করতেও বলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মেয়র প্রার্থী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমের পক্ষে ইসলামি আইনজীবী পরিষদের নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবদুল বাসেত প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। আগামী সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আইনি প্রতিকার চেয়ে রিট আবেদন করা হবে। লিগ্যাল নোটিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী নিজেই। তিনি জানান, বরিশাল সিটি নির্বাচনে আহত হওয়ার পর সিইসির দেওয়া বক্তব্য ‘উনি (হাত পাখার প্রার্থী) কি ইন্তেকাল করেছেন?’ সম্বলিত খবরটি যুক্ত করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ পরিবারের সন্তান-ই নন, তিনি একজন ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক, রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর। দেশ ও বিদেশে লাখ লাখ ভক্ত ও অনুসারী রয়েছে তার। নোটিশে আরও বলা হয়, ভোট কারচুপিতে বাঁধা দেওয়ার কারণে তার ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত হামলার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসির বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন, অযাচিত, কুরুচিপূর্ণ, অমানবিক ও বেআইনি এবং অনৈতিক। যার ফলে চরমোনাই পীরের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তার মর্যাদা ও সুনামের অবর্ণনীয় ক্ষতি হয়েছে। তার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ পাঁচশ কোটি টাকা। এর আগে গত বুধবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের সামনে গণমিছিলে বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের পদত্যাগে যা কিছু করতে হয় জনগণ তাই করবে। তিনি বলেন, আমাদের মেয়র প্রার্থীকে নিয়ে সিইসি যে মন্তব্য করেছেন তা কেউ বলেনি, কোনো সুস্থ মানুষ এমন মন্তব্য করতে পারেন না। ফলে কোনো অসুস্থ মানুষ নির্বাচন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে থাকতে পারেন না। এরপরও যদি তাকে রাখা হয় তাহলে তার পদত্যাগের জন্য যা কিছু করতে হয় জনগণ তাই করবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris