সোমবার

১৫ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

৩০শে অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
সংসদ ভোট-গণভোটে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার নির্দেশ সরকারের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান-ইসরায়েল আমি কাঁদলেও লোকে হাসে : সামলান খান নির্বাচননে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিরাপত্তা প্রটোকল দেবে সরকার ‘গবেষণা ও তথ্যের জন্য রুয়েট হয়ে উঠবে বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু’ রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে নতুন ২৪ সদস্য অন্তর্ভুক্ত, আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষা সমাপনী, বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থার নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা হাদী ও এরশাদের উপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আইনের আওতায় আনতে হবে : মিনু তারেক রহমানের মন্তব্য, যেকোনো মূল্যে দেশে নির্বাচন হতে হবে

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

Paris
Update : মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২

এপএনএস : টাঙ্গাইলে জমি নিয়ে বিরোধে হত্যা মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিনমাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন। এ সময় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১১ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের ছেলে সেজনু মিয়া ও মিজানুর রহমান, একই গ্রামের ফয়জ উদ্দিনের ছেলে মুনসুর আলী ও গঙ্গাবর গ্রামের মৃত আলী ফকিরের ছেলে জামাল ফকির। টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামে আসামিরা পার্শ্ববর্তী একটি জমিতে জোর করে দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে যান। জমির মালিক আবদুর রহিম তাদের বাধা দিলে তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আহত অবস্থায় আবদুর রহিমকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন আবদুর রহিম মারা যান। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ছেলে মো. সুলতান মিয়া বাদী হয়ে ২০০৫ সালের ৩ জানুয়ারি ধনবাড়ী থানায় ১৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

 

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ধনবাড়ী থানার এসআই মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালের ২৭ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ২০০৭ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। গতকাল সোমবার রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত মিজানুর রহমান, মুনসুর আলী ও জামাল ফকিরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। অপর দণ্ডিত সেজুন মিয়া পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন আদালত। এছাড়া ২০১৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলার আসামি ময়েজ উদ্দিন মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris