সর্বশেষ সংবাদ
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আম বাজারে ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত ও ‘অ্যাগ্রো-বেজড’ ইপিজেড স্থাপন করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে বগুড়ায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২১

এফএনএস : বগুড়ার কাহালুতে যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূ উম্মে কুলসুম রুমাকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় স্বামী দেলোয়ার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আসামি পলাতক রয়েছে, গ্রেপ্তারের পর হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে তার সাজা কার্যকর করা হবে। গতকাল বুধবার দুপুরে বগুড়ার দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির এ রায় দেন। বগুড়ার দ্বিতীয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আশেকুর রহমান সুজন জানান, কাহালু উপজেলার ভিটিসোনাই গ্রামের আলহাজ খোরশেদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার আবদুল গফুরের মেয়ে উম্মে কুলসুম রুমাকে বিয়ে করে।

বিয়ের পর থেকে দেলোয়ার অর্ধ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য রুমার উপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। গত ১৯৯৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সকালে এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রুমাকে মারপিট ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর হত্যাকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দিতে লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে কাহালু থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এটি হত্যা বলে উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাপারে নিহত রুমার বাবা আবদুল গফুর থানায় জামাই দেলোয়ারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

পরবর্তী সময়ে পুলিশ একমাত্র আসামি দেলোয়ারকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফুল ইসলাম ১৯৯৮ সালের ১৯ জুলাই আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। দেলোয়ার ২০০০ সালে জামিন পেয়ে আত্মগোপন করে। গ্রেপ্তারের পর উচ্চ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আসামির দণ্ড কার্যকর করতে বলা হয়েছে। আদেশে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে রশিতে ঝুলিয়ে রেখে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পলাতক আসামির পক্ষে স্টেট ডিফেন্স অ্যাডভোকেট তাজ উদ্দিন মামলা পরিচালনা করেন। তিনি জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris