সোমবার

৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয় : প্রধানমন্ত্রী ৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান রাজশাহীর জলাবদ্ধতা রোধে এক্সাভেটর দ্বারা ড্রেনের কাদা অপসারণ তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী রাসিকের রাজস্ব কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে দোয়ার অনুষ্ঠান নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন রাসিক প্রশাসক মোহনপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ একমন ধান বিক্রি করে হচ্ছে না একজন শ্রমিকের মুজুরি মহান মে দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী নাচোলে রেলওয়ের গোডাউনের যায়গা লিজ নিয়ে মালামাল লুটের অভিযোগ

বিএনপি মহাসচিবের দেখা না পেয়ে ফিরে গেলেন কর্মীরা

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই, ২০২২

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসভবনের সামনে গিয়ে তাঁর দেখা না পেয়ে রাতেই ফিরে গেছেন ডেমরার ৫টি ওয়ার্ডের দলীয় নেতাকর্মীরা। অনিয়মের কাউন্সিলে সহায়তা না করার দাবিতে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে শতাধিক নেতাকর্মী মহাসচিবের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন। মহাসচিব তাদের সঙ্গে দেখা না করায় তারা ফিরে যান। গতকাল বুধবার সকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির অধীনে ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯, ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের সম্মেলনে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি যাননি। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, মহাসচিব শারীরিকভাবে অসুস্থ, সেজন্য সম্মেলনে যাননি। সাবেক ডেমরা ইউনিয়ন বিএনপির (বর্তমান ৭০ নম্বর ওয়ার্ড) সভাপতি আবদুল আশা শাহিন বলেন, আমরা শতাধিক নেতাকর্মী উত্তরায় মহাসচিবের বাসার সামনে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলেও মহাসচিব বাসা থেকে বের হননি। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমরা ফিরে আসি। -এফএনএস

 

আমাদের অবস্থানের কারণেই হয়তো মহাসচিব সম্মেলনে যাননি। শাহিন আরও বলেন, আজ যে সম্মেলন হচ্ছে, সেখানে বিএনপির ত্যাগী নেতাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। অনেক কর্মীকে কাউন্সিলর বানানো হয়নি। বিগত দিনে যারা মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন তাদের বাদ দিয়ে যাদের নামে মামলা নেই তাদের কাউন্সিলর বানানো হয়েছে। এখন আমাদের দল থেকে পদত্যাগ করা ছাড়া আর কোনো করণীয় নেই। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহসভাপতি নবী উল্লাহ নবী মনোনয়ন পেয়েছিলেন। আমরা তখন তাঁর পক্ষে কাজ করেছি। আবার উপ-নির্বাচনে সালাহ উদ্দিন আহমেদ মনোনয়ন পেয়েছিলেন, তখন তাঁর পক্ষে কাজ করেছি। আমরা সালাহ উদ্দিন আহমেদের পক্ষে কাজ করার কারণে সম্মেলনে আমাদের রাখা হয়নি। এখানে দীর্ঘ দিন যাবত নবী উল্লা আর সালাহ উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris