বৃহস্পতিবার

১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চাইলেন রাসিক প্রশাসক বানেশ্বর-ঈশ্বরদী নির্মাণাধীন মহাসড়কের চারঘাটে সড়ক-ড্রেনের নকশা পরিবর্তন? যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর কালাই রুটিতে অভিভুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সংসদ হুটহাট করে কথা বলার জায়গা নয় : স্পিকার প্রচণ্ড গরমে নগরীতে সামাজিক সংগঠন ‘হেল্প ডোর’র বিশুদ্ধ পানি ও স্যালাইন বিতরণ জনতা ব্যাংক কাদিরগঞ্জ শাখার এটিএম বুথের উদ্বোধন রাজশাহী বহুমুখী বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন রাজশাহীর ডিসি জীবিকার তাগিদে একসময়ের যাত্রার নায়ক সামাদের কাঁধে এখন দোতারা

৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান

Paris
Update : শনিবার, ২ মে, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৪০ দিনের যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশের ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান। সিএনএন এর এক অনুসন্ধানি প্রতিবেদনে জানা গেছে এ তথ্য। ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস বা গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়া এসব সামরিক স্থাপনার মধ্যে আছে অ্যাডভান্সড রাডার সিস্টেম, কমিউনিকেশন সিস্টেম এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান। বেশ কয়েকটি স্যাটেলাইট চিত্র এবং যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের হামলার শিকার হওয়া প্রতিটি সামরিক স্থাপনা ও যুদ্ধাস্ত্র দামী এবং প্রতিস্থাপন করা কঠিন। কোনো কোনো স্থাপনা এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে সেগুলোকে আর মেরামত করে প্রতিস্থাপন করা কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থাপনা ও সামরিক সরঞ্জামগুলোর প্রায় সবই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে সিএনএনের প্রতিবেদনে। ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন সম্পর্কে অবগত কংগ্রেসের একজন সহকারীর বরাত দিয়ে সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোই এই অঞ্চলের অধিকাংশ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, “তারা সুপরিকল্পিতভাবে বেছে বেছে আমাদের রাডার সিস্টেমগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। তারা জানে যে এ অঞ্চলে এই রাডার সিস্টেমগুলো আমাদের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সামরিক সম্পদ।” ক্ষতিগ্রস্ত এসব সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের মেরামতের জন্য প্রচুর অর্থ প্রয়োজন। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, ইরানের হামলায় বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা ঘাঁটি মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেগুলো মেরামত করে ব্যবহার উপযোগী করতে লাগবে ২০ কোটি ডলার। “এটা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের একটি সেনা ঘাঁটির হিসেব। বাকিগুলোর হিসেব এখনও চূড়ান্ত হয়নি”, সিএনএনকে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। সূত্র : সিএনএন, গালফ নিউজ/এফএনএস


আরোও অন্যান্য খবর
Paris