আরা ডেস্ক : গত ফেব্রুয়ারীতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব বিভিন্ন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক উত্থ্যান-পতনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় বিশ্বের অন্যত্তম শক্তিশালী দেশ গ্রেট ব্রিটেনের রাজনীতিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। বেক্সিট নিয়ে ইংল্যান্ডে তার ব্যাপক সমর্থন থাকলেও পার্টিগেট কেলেঙ্কারি পর চিত্র বদলাতে শুরু করে। আস্থাভোটে কোন মতে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারলেও শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন বরিস। এর আগে, প্রথমে তার অর্থমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী অনাস্থা জানিয়ে পদত্যাগ করলে শুরু হয় ব্রিটিশ মন্ত্রীদের পদত্যাগের হিড়িক। শেষ পর্যন্ত কনসারভেটিভ পার্টির দলপতি ও প্রধানমন্ত্রী উভয় পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন বরিস জনসন। আর জনসনের পদত্যাগের সাথে সাথে কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিভিন্ন গুঞ্জন।
এদিকে সাবেক মন্ত্রীদের অনেকেই ইতিমধ্যে নিজ নিজ প্রচারণা ও ইশতেহার নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী হবার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে মার্গারেট থাচার ও থিরেসা মে’র পরে ব্রিটিশ ইতিহাসে এবং কনসারভেটিভ পার্টি থেকে নির্বাচিত হওয়া তৃতীয় নারী হবেন তিনি। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী হবার দৌড়ে যাদের নাম প্রথম থেকেই শোনা যাচ্ছে তারা হলেন অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক, সাবেক পররাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য সচিব জেরেমি হান্ট, সদ্য সাবেক স্বাস্থ্য সচিব সাজিস জাভিদ, নতুন অর্থমন্ত্রী সাজিদ জাহাবী, পরিবহন সচিব গ্রান্ট শাপস, এটোর্নি জেনারেল শুয়েলা বেভারনমেনসহ আরও কয়েকটি নাম। এদের মধ্যে ঋষি সুনাক, লিজ ট্রাস এবং জেরেমি হান্টই আপাতদৃষ্টিতে প্রধান প্রতিদ্বন্দী এই পদের জন্য। সূত্র : বাংলা ইনসাইড