সর্বশেষ সংবাদ
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আম বাজারে ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত ও ‘অ্যাগ্রো-বেজড’ ইপিজেড স্থাপন করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

‘জেলহত্যা মামলার আসামি খায়রুজ্জামানকে বাংলাদেশে ফেরানো সম্ভব নয়’

Paris
Update : রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

এফএনএস : বাংলাদেশে জেলহত্যা মামলার আসামি সাবেক হাইকমিশনার মো. খায়রুজ্জামানকে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন পুলিশ। বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিলেও আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক কমিশনার (ইউএনএইচসিআর)। গতকাল শনিবার মালয়েশিয়ার একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

ইউএনএইচসিআর বলেছেন, খায়রুজ্জামান মালয়েশিয়ায় জাতিসংঘের শরণার্থী কার্ড নিয়ে অবস্থান করায় তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ এটি হবে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি। জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা আরও জানান, মালয়েশিয়ার সরকার খায়রুজ্জামানকে স্বদেশে ফেরত পাঠাতে পারে না। কারণ এতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন হবে। শরণার্থী পুনর্বাসন আইন অনুযায়ী, সরকার কোনো শরণার্থীকে এমন কোনো স্থানে পাঠাতে পারে না, যেখানে তার জীবন হুমকির মুখে পড়বে।

১৯৫১ সালের চুক্তিতে সই করা না করা সব দেশের জন্যই শরণার্থী বিষয়ক আইনটি বাধ্যতামূলক। এর আগে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে গত বুধবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের আমপাংয়ে নিজ বাসা থেকে এম খায়রুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে দেশটির অভিবাসন পুলিশ। খায়রুজ্জামান অবসরপ্রাপ্ত মেজর, ১৯৭৫ সালের জেলহত্যা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন। পরে খালাস পেয়ে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মালয়েশিয়ায় হাইকমিশনার নিযুক্ত হন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাকে ঢাকায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

কিন্তু খায়রুজ্জামান কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী কার্ড নিয়ে সেখানেই থেকে যান। মালয়েশিয়ার বার কাউন্সিলের অভিবাসী এবং শরণার্থী কমিটির সহ-সভাপতি বলেন, কোনো ব্যক্তি তার জাতি, ধর্ম বা রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে জীবন বা স্বাধীনতার জন্য হুমকির সম্মুখীন হলে সরকারের তাকে ফেরত পাঠানো উচিত নয়। এর আগে খায়রুজ্জামানের স্ত্রী রিতা রহমান বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার স্বামীর গ্রিন কার্ডের আবেদন মঞ্জুর করেছে। কিন্তু মালয়েশীয় পুলিশের নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য তা আটকে রয়েছে। অনেকবার আবেদন করেও এটি শেষ করা যায়নি।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris