বুধবার

২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ

পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

Paris
Update : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানিলন্ডারিং এবং আর্থিক অপরাধ দমনে বৃহত্তর কৌশলের গুরত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশসমূহের মধ্যে প্রাথমিক ভাবে ১০টি দেশ চিহ্নিত করে তাদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকালে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থ প্রবাহের পরিমাণ আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১.৮ লাখ কোটি টাকা)। পাচারকৃত এ অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে ‘পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি’ [গঁঃঁধষ খবমধষ অংংরংঃধহপব ঞৎবধঃু (গখঅঞ)] সম্পাদন এবং গঁঃঁধষ খবমধষ অংংরংঃধহপব জবয়ঁবংঃ (গখঅজ) বিনিময় প্রক্রিয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। অর্থ পাচারের গন্তব্য দেশসমূহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত ১০টি দেশের (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং হংকং-চায়না) মধ্যে তিন দেশ (মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাত) চুক্তি স্বাক্ষরেরর বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেছে। অপর ৭টি দেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠ করা হয়েছে। এই টাস্ক ফোর্স কর্তৃক চিহ্নিত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কেইসসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের নেতৃত্বে এবং বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ১১টি যৌথ অনুসন্ধান ও তদন্ত দল গঠন করা হয়েছে। এই তদন্ত দল গঠনের পর অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর অগ্রগতিও সংসদে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। অগ্রগতিসমূহ হচ্ছে : বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক দেশে ২৫ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে মোট ৫৭ হাজার ১ শত ৬৮ কোটি ৯ লক্ষ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ (ঋৎববুরহম) করা হয়েছে। অপর দিকে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বিদেশে মোট ১৩ হাজার ২ শত ৭৮ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। গব মিলিয়ে দেশে-বিদেশে সর্বমোট প্রায় ৭০ হাজার ৪ শত ৪৬ কোটি ২২ লক্ষ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক ক্রোক ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ১৪১টি মামলা রুজু করা হয়েছে। যার মধ্যে ১৫টি মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং ৬টি মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে। সার্বিকভাবে, বর্তমান সরকার দুর্নীতি, মানিলন্ডারিং এবং আর্থিক অপরাধ দমনে বৃহত্তর কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। বিদেশে পাচারকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিটের অধীনে স্টলেন এ্যাসেট রিকভারি ডিভিশন (ঝঃড়ষবহ অংংবঃ জবপড়াবৎু উরারংরড়হ) গঠন করা হয়েছে। গত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলে সংঘটিত অর্থপাচার ও দুর্নীতির অনুসন্ধান করে একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং এতে চিহ্নিত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ : প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, দেশে তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ‘পেপ্যাল’ (চধুঢ়ধষ) চালুর কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ৫ বছরে ২ লাখ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান এবং উচ্চপ্রযুক্তিতে কয়েক হাজার তরুণকে প্রশিক্ষিত করার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বিভিন্ন সংস্থা/দপ্তর তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নানাবিধ পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর কর্তৃক ৫ বছরে ১ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সার তৈরি করা হবে এবং ৫ বছরে দুই লক্ষ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫শ জন ফ্রিল্যান্সারকে ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড প্রদান করা হয়েছে এবং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ২০২৬ সালে ২ হাজার ৪শ জনকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মেশিন লার্নিং (এমএল), এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো উচ্চপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ত্বরান্বিত করতে ৮৩টি সেবা অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে এবং আগামী ১ বছরে আরও ১০টি নতুন সেবা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারসমূহ কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে (চধুঢ়ধষ) এর কার্যক্রম আরম্ভে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের মাধ্যমে ২০টি ব্যাচে প্রায় ১ হাজার জন আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েটদের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা হবে। বিসিসির মাধ্যমে ৫ হাজার ২০ জন চাকুরী প্রার্থী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের এআই, মোবাইল অ্যাপ্স ডেভেলপমেন্ট, আকামনা চুঃযড়হ প্রোগ্রামিং, ডাটা অ্যানালাইটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি ইত্যাদি স্বল্পমেয়াদী প্রশিক্ষণসহ ১বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় ৭০০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। প্রায় ৭শ জন নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে (উইমেন ইন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ) বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে চাকুরীর ক্ষেত্র তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আইটি প্রশিক্ষণের আওতায় এপ্রিল-২০২৬ সেশনে ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০০ জন শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৪০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীকে বেসিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ২০ জন নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে ওয়াইফাই প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে।
পরিবার ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা : প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেছেন, পরিবার ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে সরকারের নানাবিধ কার্যক্রম রয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকতুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবার ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকারের নানাবিধ কার্যক্রম রয়েছে। স্বাস্থ্য সেবা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সময়োপযোগী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করে আসছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন হাসপাতাল, স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সারা দেশে স্বাস্থ্য সেবা, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, মা-শিশু স্বাস্থ্য সেবা, প্রসবপূর্ব সেবা, নিরাপদ প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব, প্রসব পরবর্তী সেবা, পুষ্টি সেবা প্রদানসহ নানাবিধ সেবা দিয়ে আসছে। তাছাড়া স্যাটেলাইট ক্লিনিক পরিচালনা, স্কুল স্বাস্থ্য শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিবার সম্মেলন, কাউন্সেলিং, গণমাধ্যম প্রচারণাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কিশোর কিশোরী পরিচর্যা, বাল্য বিবাহ রোধ, ২০ এর আগে সন্তান ধারণ না করা, এক সন্তান থেকে পরবর্তী সন্তান ধারণে ২-৩ বছর বিরতি দান, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে। এছাড়াও সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, জনস্বাস্থ্য বিষয়ক শিক্ষা, টেলিমেডিসিন সেবা, স্বাস্থ্য তথ্য বাতায়ন এবং মৌসুমি বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক স্থাপিত নলকূপসমূহে আর্সেনিকযুক্ত নলকূপে লাল রং এবং অন্যদিকে আর্সেনিকমুক্ত নলকূপে সবুজ রং দ্বারা চিহ্নিত করে আর্সেনিকমুক্ত নলকূপের পানি পান করা সহ সকল কাজে ব্যবহারের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। পানি ও স্যানিটেশনের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত ও সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য পৌরসভা সমূহে উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ পরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম যেমন: কর্মশালা, উঠান বৈঠক ইত্যাদি গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতিবছর নিয়মিতভাবে অক্টোবর মাসে জাতীয় স্যানিটেশন মাস উদযাপন, ১৫ অক্টোবর বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস, ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস পালনসহ নানাবিধ সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি পালনে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করে আসছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানববর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন, পরিশোধন ও পুনঃব্যবহার এবং কঠিন বর্জ্য উৎসে পৃথকীকরণ, সংগ্রহ, পরিবহন, পরিশোধন ও পুনঃব্যবহার করা হচ্ছে। পারিবারিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি পালন, স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিনের ব্যবহার ও নিয়মিত সেপটিক ট্যাংক পরিষ্কারকরণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকাল তিনটায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম কর্মসূচি ছিলো প্রথম ত্রিশ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নকাল।-এফএনএস


আরোও অন্যান্য খবর
Paris