মঙ্গলবার

২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের বর্জ্যে দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ অটোরিক্সা চালকদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল অফিস পেয়ে গাড়িও চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেসবুক লাইভে এমপি বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলে নেই বসার বেঞ্চ সপ্তাহজুড়ে ক্লাস বন্ধ! আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোঃ শাহজাহানের সাফল্য রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রাসিক প্রশাসকের নতুন উদ্যোগ গুলশান কার্যালয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল

Paris
Update : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের দ্বি-বার্ষিক (২০২৬-২৮) নির্বাচনে ঘোষিত ফলাফলের বিরুদ্ধে আপীল আবেদন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান ও রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাচন আপিল বোর্ড) বরাবর এই আপীল আবেদন করেন খন্দকার মিজানুর রহমান (ভোটার নম্বর ৭৯৮)। তিনি সদ্য সমাপ্ত হওয়া চেম্বার নির্বাচনে সভাপতি পদের প্রার্থী ছিলেন।
নির্বাচন আপিল বোর্ডের আপিলে তিনি লিখেছেন, গত ১৯/০৪/২০২৬ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনের ফলাফল সভাপতি পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমি মেনে নিতে না পেরে এর বিরুদ্ধে আমি আমার আপীল আবেদন আনয়ন করছি। নির্বাচনে সভাপতির প্রাপ্ত ভোট, ফলাফল ঘোষণা ও অন্যান্য বিধি বিধানের বিষয়গুলো বেশ প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। ভোটের দিন সকাল ৮.৫২ মিনিটে নির্বাচনের বিধিবিধান ভঙ্গ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রদানকৃত ভোটের ছবি প্রকাশ করে দেয়া হয়েছে। এইধরনের কর্মকান্ডের কারণে নির্বাচন বোর্ড নিয়মানুযায়ী অকার্যকরী হতে শুরু করে এবং এতে করে ঘোষিত ফলাফল ত্রুটিপূর্ণের ছোয়া লেগেছে। যেহেতু, নির্বাচন বোর্ড ভোট কেন্দ্রে মোবাইল ফোনের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নাই তাই এটির স্বচ্ছতা নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠছে।
এছাড়াও, ব্যালট পেপারের মুদ্রিত প্রতীক ও নামের উপরে সীল মারার কারনে ভোট বাতিল করনের বিষয়টি নিঃসন্দেহে অন্যায় ও অবৈধ হয়েছে। বুথ নং-২০ এর দুইট সিটে প্রাপ্ত ভোট ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দেখানো হয়েছে। যেটা পরিস্কারভাবেই অস্বচ্ছতার বহিঃপ্রকাশ। উক্ত বুথে মিজানুর রহমান খোকনের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা একটি সিটে দেখানো হয়েছে ৩১টি। আবার অন্যএকটি সিটে দেখানো হয়েছে ২৮টি। এইধরনের গড়মিল হিসাবের কারণে চুড়ান্ত ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ফলাফলে কারচুপির আশ্রয় নিয়ে অন্যায়ভাবে সভাপতি প্রার্থীকে পরাজিত দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ আপিলকারী মিজানুর রহমান খোকনের। একাধিক বুথের রেজাল্ট সিটে ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রাপ্ত ভোটের ফলাফলে ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে পরিকল্পিতভাবে পরাজিত দেখানো হয়েছে বলেও উল্লেখ আছে উক্ত আপিলে। নির্বাচনের প্রাপ্ত ভোট পুনরায় গণনা করলে নিশ্চিতভাবে সভাপতি পদে মজিানুর রহমান খোকন বিজয়ি হবেন বলেও আপিলকারী উক্ত আপিলে উল্লেখ করেছেন।
অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বৈধ ভোট ২০৮৫টি দেখানো হলেও সভাপতি পদে ৩ জন প্রার্থীর প্রাপ্ত মোট ভোট (১০+১০৮০+১) = ২০৭৮টি। বাকি ৭টি ভোটের বিষয়ে কোন কিছুই বলা হয়নি। এই বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ। অন্যদিকে, ৩৪৯টি ভোট কোন যুক্তিতে বাতিল করা হয়েছে সে বিষয়েও পরিস্কার করে কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বাতিলকৃত ভোট ফলাফল নির্ধারনে বড় ভূমিকা রাখতে পারতো এবং তাতে মিজানুর রহমান খোকন সভাপতি নির্বাচিত হতে পারতেন বলেও দাবি করেন সভাপতি প্রার্থী খোকন। নির্বাচন বোর্ড তাদের সচেতনতা ধরে রাখতে পারেননি বলেও অভিযোগ খোকনের। সকল প্রকার অসঙ্গতি ও দুর্নীতি পরিহার করে পুনঃ ভোট গণনার আবেদন আপীলের বিধি বিধান মান্য করে তিনি একটি আপিল করেছেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris