বুধবার

২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের বর্জ্যে দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ অটোরিক্সা চালকদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল অফিস পেয়ে গাড়িও চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেসবুক লাইভে এমপি বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলে নেই বসার বেঞ্চ সপ্তাহজুড়ে ক্লাস বন্ধ! আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোঃ শাহজাহানের সাফল্য রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রাসিক প্রশাসকের নতুন উদ্যোগ গুলশান কার্যালয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

পবায় অবৈধ পুকুর খনন, গভীর রাতে অভিযানে ৪টি মেশিন জব্দ আটক এক

Paris
Update : শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৩

পবা প্রতিনিধি
রাজশাহীর পবা উপজেলায় আবারো শুরু হয়েছে অবৈধভাবে ফসলি জমিতে পুকুর খনন। এতদিন দিনের বেলায় পুকুর খনন করা হলেও প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা হওয়ায় শুরু হয়েছে রাত্রিকালিন পুকুর খনন। এমতাবস্থায় রাতে অবৈধ পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে নামে পবা উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট অভিজিত সরকার এর নেতৃত্বে দুইটি পৃথক অভিযান চলে রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। প্রথমে অভিযান শুরু হয় পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের কাপাসমোড় এলাকায়। সেখানে একজনকে আটক করা হয় ও তাকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডিত করা হয়।
বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারা আইনে আটক কৃত ব্যাক্তি হলেন পারিলা ইউনিয়নের ঘোলহাড়িয়া গ্রামের আব্দুল কাদের এর ছেলে মোঃ আব্দুল বারীক (২৭), বাকিরা অভিযানের কথা শুনে পালিয়ে যায়। এসময় পুকুর খননের স্থানে থাকা ৩টি এক্সভেটর (মাটি কাটা) মেশিন জব্দ করা হয় সেখানে। পারিলা ইউনিয়নে অভিযান শেষ হলে পূর্ণরায় একই রাতে আবার অভিযান শুরু হয় পবা উপজেলার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নে। অভিযানের খবর পেয়ে সেখান থেকেও পুকুর খননকারীরা পালিয়ে যায়। পুকুর খননের স্থানে থাকা এক্সভেটর মেশিনটি জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পবা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট অভিজিত সরকার বলেন, “পূর্বে এগুলো পুকুর অবৈধভাবে খনন করা হতো দিনের বেলায়। কিন্তু বর্তমানে আমাদের পবা উপজেলা প্রশাসন ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকায় পুকুর খননকারীরা তাদের কৌশল পরিবর্তন করে গভীর রাতে পুকুর খনন করছে যাতে আমরা খবর না পাই। কিন্তু আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে আমরা সেই প্রথম থেকেই পবা উপজেলায় ফসলি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে আছি। পবা উপজেলায় কোনক্রমেই ফসলি জমিতে পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। আমরা খবর পায় রাতের আধাঁরে পুকুর খনন চলছে কয়েক জায়গায়, আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সেখানেই অভিযানে যাই। অভিযানে গিয়ে একজনকে আটক করা হয়েছে। আপনারা এটাও দেখেছেন যে এর আগেও আমরা বড়গাছি ইউনিয়নে, পারিলা, দর্শনপাড়া, দামকুড়ায় অভিযান চালিয়েছি এবং সেখানেও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে, মাটিকাটা মেশিন জব্দ করা হয়েছে। কিন্তু তাও এতকিছু করার পরেও কোনক্রমেই পুকুর খনন বন্ধ হচ্ছে না। আমি আবারও বলতে চাই পুকুর খননকারীরা যতই চালাক ও শক্তিশালী হোক না কেন পবা উপজেলায় কোনক্রমেই ফসলি জমিতে পুকুর খনন করতে দেওয়া হবে না। আমরা পবা উপজেলা প্রশাসন কঠোর হাতে পুকুর খনন রোধ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ”।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris