ব্যাপক অনিয়ম ও কেন্দ্র দখলের কারণে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বন্ধ ঘোষণার পর সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে কমিশনের (ইসি) সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির নেতারা। তারা বলছেন, একটি আসনের নির্বাচনে কমিশন ব্যর্থ হয়েছে। সেখানে একইদিনে সারাদেশে ৩০০ আসনে ভোটগ্রহণে মাঠ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পুরোপুরি ব্যর্থ হবে ইসি। এ ছাড়া নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিয়ে বিরোধী দলকে ভোটে আনতে ইসি বিশেষ উদ্দেশ্যে উপ-নির্বাচন বন্ধ করতে পারে। গতকাল বুধবার নির্বাচন কমিশন গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করার পর এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান।-এফএনএস
হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, গাইবান্ধার নির্বাচনে আবারও প্রমাণ হয়েছে এ কমিশন নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণে ব্যর্থ। যারা ১৪৫ কেন্দ্রে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, তারা হাজার হাজার কেন্দ্রে নিরাপত্তা দেবে কীভাবে? মানুষ যেন সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারে সেই দাবিতে বিএনপি এখন আন্দোলন করছে। বিএনপির আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন, তারা গাইবান্ধা থেকে শিক্ষা নিতে পারেন। ইসির সক্ষমতা না থাকলে নির্বাচন বন্ধ করলো কীভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে টোপ দেখানো হতে পারে। ইসি যে সরকারের কথায় চলে না, এমন বার্তা দিতে জনগণের আস্থা পেতে এটি ষড়যন্ত্রও হতে পারে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কোনো কাজে সফল না হলেও তিনি অব্যাহতভাবে মিথ্যা বলে যাচ্ছেন। তিনি একটি আসনে ভোটারদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ, সেখানে তিনি একইদিনে সারাদেশের ভোটকেন্দ্রে কীভাবে নিরাপত্তা দেবে, সে প্রশ্ন এখন সবখানে। এ ছাড়া নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে ভোট বন্ধ করে বিরোধীদের নজরে আসতেও ইসি এটি করেছেন কি না সে প্রশ্ন তো আছেই।
৩০০ আসনে ভোটগ্রহণে