সোমবার

৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয় : প্রধানমন্ত্রী ৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান রাজশাহীর জলাবদ্ধতা রোধে এক্সাভেটর দ্বারা ড্রেনের কাদা অপসারণ তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী রাসিকের রাজস্ব কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে দোয়ার অনুষ্ঠান নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন রাসিক প্রশাসক মোহনপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ একমন ধান বিক্রি করে হচ্ছে না একজন শ্রমিকের মুজুরি মহান মে দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী নাচোলে রেলওয়ের গোডাউনের যায়গা লিজ নিয়ে মালামাল লুটের অভিযোগ

বিএনপির সাংঘর্ষিক রাজনীতির অবসান প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী

Paris
Update : মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২

বিএনপির সবকিছুতেই না বলা ও সাংঘর্ষিক রাজনীতির অবসান হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ-বিএসপি আয়োজিত বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, যেখানে না বলা দরকার অবশ্যই সেখানে না বলবে। কিন্তু সবকিছুতেই না বলা আর সবসময় সাংঘর্ষিক রাজনীতি করা দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে। যেটি বিএনপি করছে। আমি আশা করবো সাংঘর্ষিক রাজনীতি আর না বলার রাজনীতি থেকে বিএনপি নিজেকে মুক্ত করবে। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কথা তুলে ধরে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি বলেছেন সমমনা দলগুলোকে নিয়ে আন্দোলনে নামবেন।

কদিন আগে উনিই বলেছেন, ওঁরা আন্দোলনে আছেন, আবার এখন বলছেন নামবেন। এখন কোনটা সঠিক সেটা বোঝা মুশকিল। গত সাড়ে ১৩ বছর ধরে আমরা শুনছি ওঁরা আন্দোলনে নামবেন। আর ওঁদের আন্দোলন মানে হচ্ছে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা, গাড়িঘোড়া ভাংচুর, নিজেরা নিজেরা মারামারি করা, পুলিশের ওপর হামলা করা। এবার যদি এগুলো করা হয় তাহলে জনগণ তাদেরকে প্রতিহত করবে এবং আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে থাকবে। সংবাদপত্র পরিষদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে সাড়ে ১২০০ পত্রিকা। অথচ পশ্চিমবঙ্গে এত পত্রিকা নাই।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদপত্র বান্ধব, সাংবাদিকবান্ধব; সেকারণেই এটি সম্ভব হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক পত্রিকার ডিক্লারেশন আছে কাগজে; কিন্তু সেগুলো নিয়মিত বের হয় না। যেদিন বিজ্ঞাপন পায় সেদিন বের হয়। অনেক পত্রিকার যিনি সম্পাদক, তিনিই রিপোর্টার। অনেক পত্রিকায় দেখা যায়, সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হয় কিন্তু তাদেরকে বেতন দেয়া হয় না। বলা হয় তোমার বেতন তুমি সংগ্রহ করো। যে সমস্ত পত্রিকা নিয়মিত বের হয় না সেগুলো আমরা সরকারের পক্ষ থেকে চিহ্নিত করেছি। সাংবাদিক এবং প্রকাশকদেরও দাবি ছিল, পত্রিকা প্রকাশে অনিয়মের জন্য যাতে গণমাধ্যমে বদনাম না হয়। সে পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই চারশো’র বেশি পত্রিকা চিহ্নিত করা হয়েছে, তারমধ্যে দুইশ পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে কেউ যদি সংশোধন হতে চায় তাহলে সে সুযোগ থাকবে।

জাতীয় দিবসগুলো ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ দিবসে পত্রিকায় ছাপানোর জন্য ক্রোড়পত্র প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, বৈশ্বিক যে অবস্থা বিরাজমান সেটি আপনারা জানেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দসীমার কথাও আপনারা জানেন। কোনো কোনো বড় পত্রিকার ১০-১২ কোটি টাকা বিলও বকেয়া রয়েছে। অবশ্য সরকারি বকেয়া বিল আজ হোক, কাল হোক অবশ্যই পাবেন। কিন্তু আগের মতো যথেচ্ছভাবে ক্রোড়পত্র দেওয়ার সুযোগ আর নেই। তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, গণমাধ্যমের কাজ মানুষের কাছে শুধু সংবাদ পরিবেশন করাই নয়; সমাজ ও জাতিকে পথ দেখানো, এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আর সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে হয়। মানুষ যদি স্বপ্ন না দেখে, যদি শুধু হতাশা দেখে, আশা না থাকে, সে এগিয়ে যেতে পারে না।-এফএনএস


আরোও অন্যান্য খবর
Paris