চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : একটি হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অপরাধ প্রমানিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। আসামীর অনুপস্থিতিতে গত ০৫ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এই রায় প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামী চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পারকানুপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ফিটুর ছেলে মো. সুফিয়ান (৬০) ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন। ঘটনার প্রায় ৮ বছর পর ফরিদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
পরিচয় গোপন রেখে দিনমজুর সেজে ফরিদপুরে পালিয়ে ছিলেন সাজাপ্রাপ্ত আসামী শিবগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা মো. সুফিয়ান। বুধবার (২৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুর সদরপুর উপজেলার মনিকটার বাজার থেকে আসামীকে আটক করে র্যাব-৫, সিপিসি-১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল। যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ছাড়াও আসামী সুফিয়ানকে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ০৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেন দিয়েছেন আদালত।
গণমাধ্যমে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করে র্যাব-৫, সিপিসি-১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প। র্যাব জানায়, আসামীকে গ্রেফতার করতে র্যাবের একটি গোয়েন্দা দল আসামীকে দীর্ঘদিন ধরে কঠোর গোয়েন্দা নজরদারী রেখেছিল। গ্রেফতারী ওয়ারেন্ট প্রাপ্তির ভিত্তিতে গোয়েন্দা দলটি ছায়া তদন্ত শুরু করে। দীর্ঘদিন ছায়া তদন্তের শেষে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব আরও জানায়, অভিযানে নেতৃত্ব দেন, র্যাব-৫, রাজশাহী, সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক লে. কমান্ডার রুহ-ফি-তাহমিন তৌকির, র্যাব-৮, বরিশাল, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক লে. কমান্ডার মো. শহিদুল ইসলাম ও কোম্পানী উপ-অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোরশেদ আলম। শিবগঞ্জ থানায় ২০১৩ সালের ২০ জুলাই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন নিহতের পরিবার। আসামীকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানায় র্যাব। এছাড়াও র্যাব নিয়মিত জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, অস্ত্রধারী অপরাধী, মাদক, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারীসহ হেরোইন এর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।