আলিফ হোসেন, তানোর : রাজশাহীর তানোরের কলমা ও কামারগাঁ ইউনিয়নের প্রায় এক হাজার বিঘা জমিতে সম্পুরক সেচ সুবিধার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য প্রায় ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হাতিশাইল-ঘৃতকাঞ্চন খালের প্রায় তিন কিলোমিটার পুনঃখনন করা হয়েছে। এতে প্রায় সহস্রাধিক বিঘা ফসলি জমি সম্পুরক সেচের আওতায় আসবে বাড়বে ফসল উৎপাদন। ফলে দুই ইউপির অমৃতপুর, আজিজপুর, নড়িয়াল, চন্দনকৌঠা, ঘৃতকাঞ্চন, কুজিশহর, হাতিনান্দা, নেজামপুর, হরিপুর, ছাঐড় ও হিরানন্দপুরসহ প্রায় ১০ গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক উপকৃত হবে।
ঘৃতকাঞ্চন গ্রামের কৃষক আজিমুদ্দিন, সাজ্জাদ আলী, নড়িয়াল গ্রামের কৃষক সাদেক আলী, হরিপুর গ্রামের কৃষক সেকেন্দার আলী ও নেজামপুর গ্রামের কৃষক পলাশ বলেন, এই খাড়ি পুনঃখননের ফলে আমরা খাড়ির পানিতে সম্পুরুক সেচ দিতে পারবো। এতে অনেক আনাবাদি জমিতে আবাদ করা সম্ভব হবে। এছাড়াও মাছ চাষ করে সমিতির সদস্যরা লাভবান হবেন। সুত্র জানায়, তানোরে ২০২১-২২ অর্থবছরে টেকসই ক্ষুদ্রকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় হাতিশাইল-ঘৃতকাঞ্চন (পানি ব্যবস্থাপনা) সমবায় সমিতি লিমিটেড খাল পুনঃখনন করেছেন। ২০২২ সালের ২০ মার্চ কাজ শুরু করে ৩০ এপ্রিল কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৫ লাখ টাকা। উপজেলার ঘৃতকাঞ্চন-হাতিশাইল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড ৫টি রেফারেন্স লাইন ও ১০টি এলসিএস-এর মাধ্যমে খাল পুনঃখনন কাজ করেছেন।
এদিকে খাড়ি পাড়ের অধিবাসিরা খাড়ি পুনঃখনন করায় স্থানীয় সাংসদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে ঘৃতকাঞ্চন-হাতিশাইল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি নুরুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এতে সমিতির সদস্যরা মাছ চাষ ও ফসলি জমিতে সম্পুরুক সেচ দিয়ে নিজেদের ভাগ্যবদল করতে পারবেন। এবিষয়ে কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ বলেন, এই খাড়ি পুনঃখনন কামারগাঁ-কলমা দুই ইউপির কৃষিক্ষেত্রে বড় ভুমিকা রাখবেন।