এফএনএস : আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) উদ্দেশ করে বলেছেন, ‘ক্ষমতা থাকলেই ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন না। অযথা ক্ষমতা দেখাবেন না।’ আদালত বলেন, ‘একজন মানুষকে ২০১৯ সালে নোটিশ দিলেন, কিন্তু এখনও নিষ্পত্তি করলেন না। আবার বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিলেন। তার বিদেশ যাত্রায় কেয়ামত পর্যন্ত কি নিষেধাজ্ঞা থাকবে?’ গতকাল রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব মন্তব্য করেন। এরপর আদালত আফতাব অটো মোবাইল লিমিটেডের কো-অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. মামুন খানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. জয়নাল আবেদীন ও অ্যাডভোকেট সাঈদা ইয়াসমিন। আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে আফতাব অটো মোবাইল লিমিটেডের কো-অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. মামুন খানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক নোটিশ দেয়। তাকে দুদক কার্যালয়ে হাজির হতে হয়। সে অনুযায়ী মামুন খান দুদক কার্যালয়ে হাজির হন। এরপর ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর মামুন খানের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশকে চিঠি পাঠায় দুদক। দুদকের চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত আগস্ট মাসে হাইকোর্টে রিট করেন মামুন খান।