সর্বশেষ সংবাদ
নেসকোর চেয়ারম্যান হলেন মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ যে কারণে আবারো বন্ধ হলো রাজশাহীর গাড়ির চাকা মাদক ও অপরাধ দমনে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে র‌্যাব-৫-এর টাউন হল মিটিং দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী

হত্যা মামলার ১২ বছর পর রায়ে ১০ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি : পাবনার ভাঙ্গুড়ার ফারুক হোসেন (১৯) হত্যার মামলার রায়ে ১০জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে পাবনার বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আহসান তারেক এ রায় দেন। নিহত ফারুক হোসেন ভাঙ্গুড়া উপজেলার চৌবাড়িয়া ভদ্রপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন-পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়িয়া এলাকার সুধির চৌকিদারের ছেলে প্রভাস চন্দ্র দাস (১৮), শাহজাহান আলীর ছেলে শাহিন হোসেন (২১),

ইব্রাহিম আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (২১), মৃত হুমায়ুন কবিরের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২০), শরৎনগরের শ্রী মন্তোষের ছেলে প্রিন্স (২০), চরভাঙ্গুড়ার হাফিজুর ওরফে হাফেজের ছেলে ফরিদ আহমেদ (২২), বিলকিস বেগম ( ৪০), চৌবাড়িয়া গ্রামের ছন্নত আলীর ছেলে দুলাল হোসেন (২০), চরভাঙ্গুড়ার ইসহাক আলীর ছেলে ইউসুফ আলী (২২) ও চৌবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল করিম (৪৫)। মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৪ আগস্ট রাত ১১টার দিকে বেড়ানোর কথা বলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ফারুক হোসেনকে হত্যা করে।

পরে নিহতের মরদেহ পুকুরে ফেলে পালিয়ে যান আসামিরা। খোঁজাখুঁজি করেও ফারুকের সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ করা হয়। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর স্থানীয়রা ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ওসমান আলীর পুকুরে কচুরিপানার মধ্যে মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পুলিশ সেখান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে লাশটি নিখোঁজ ফারুকের বলে শনাক্ত করা হয়। এই ঘটনায় নিহতের ফারুকের মা বাদী হয়ে গত ১ সেপ্টেম্বর/২০০৯ সালে ১৮ থেকে ২০ জনের নামীয় ও অজ্ঞাত আরো কয়েকজন উল্লেখ্য করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ফোনের কললিস্ট ধরে ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্ত আসামীদের গ্রেফতার করে। দীর্ঘ শুনানি ও স্বাক্ষ প্রমানের ভিত্তিতে আদালত হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ও পরিকল্পনাকারী হিসেবে ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মজনুল হক বলেন, ফারুক হত্যা মামলায় হত্যার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে শুনানিতে স্বাক্ষী ও প্রমানের ভিত্তিতে ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

এখানে সাজা কমানো কোনো সুযোগ নেই বলেও দাবী করেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী। আসামিপক্ষের আইনজীবী একেএম শামসুল হুদা ও এসএম ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমরা উচ্চ আদালতে রায়ের বিপক্ষে আপিল করবো। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা নিরাপরাধ। উচ্চ আদালত থেকে কারাদন্ড প্রাপ্তরা সবাই খালাস পাবেন বলেও আশাবাদী এই দুই আইনজীবী। রায় ঘোষণার সময় আদালতে দন্ডপ্রাপ্ত বিলকিস বেগম ও আব্দুল করিম উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্য আসামীরা অনুপস্থিত ছিলো।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris