বুধবার

২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের বর্জ্যে দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ অটোরিক্সা চালকদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল অফিস পেয়ে গাড়িও চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেসবুক লাইভে এমপি বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলে নেই বসার বেঞ্চ সপ্তাহজুড়ে ক্লাস বন্ধ! আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোঃ শাহজাহানের সাফল্য রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রাসিক প্রশাসকের নতুন উদ্যোগ গুলশান কার্যালয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

দুদকের মামলায় কারাগারে সিআইডির বরখাস্ত হওয়া এসআই নওয়াব আলী

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর, ২০২১

এফএনএস : দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বরখাস্ত উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নওয়াব আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক মাহমুদ। তিনি বলেন, দুদকের একটি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন সিআইডির বরখাস্ত কর্মকর্তা এসআই নওয়াব। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

ওই মামলায় নওয়াবের স্ত্রী গোলজার বেগম জেল খেটে বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। এছাড়াও বাকি দুই আসামি কর অঞ্চল-১ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) বাহার উদ্দিন চৌধুরী ও কর পরিদর্শক দীপঙ্কর ঘোষ পলাতক রয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এসআই নওয়াব সর্বশেষ ঢাকা সিআইডিতে কর্মরত ছিলেন। দুদকের তথ্য মতে বর্তমানে এই দম্পতির ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। তবে অধিকাংশ সম্পদের মালিক স্ত্রী গোলজার। যা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

এ ঘটনায় এসআই নওয়াব আলী, তার স্ত্রী গোলজার বেগম, কর অঞ্চল-১ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) বাহার উদ্দিন চৌধুরী ও কর পরিদর্শক দীপঙ্কর ঘোষকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। দুদকের দেওয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এই চার আসামির বিরুদ্ধে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গতকাল বুধবার সেই মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এসআই নওয়াব। তিনি আদালতে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুদক সূত্র জানায়, নওয়াব আলীর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের কেকানিয়া এলাকায়। ১৯৯২ সালে কনস্টেবল পদে যোগ দেন তিনি। সেখানে নিজের নামে ২০১৩ সালে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির ওপর একটি দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেন। তার স্ত্রী গোলজারের নামে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ছলিমপুরে ৩৫৪ শতক জমি, চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার এলাকায় পার্কিংসহ এক হাজার ১০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট, একই এলাকায় চার শতক জমি রয়েছে। এছাড়া গোলজারের নামে একটি মাইক্রোবাসও রয়েছে। নওয়াব আলী কৌশলে স্ত্রী গোলজারকে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত টাকার মালিক সাজিয়েছেন। কথিত মাছ চাষ থেকে এক কোটি ১০ লাখ টাকা আয়ের কথা বলা হলেও বাস্তবে মাছ চাষের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তারপরও মাছ চাষ করা হয় মর্মে কর কর্মকর্তারা প্রতিবেদন দেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris