সর্বশেষ সংবাদ
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আম বাজারে ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত ও ‘অ্যাগ্রো-বেজড’ ইপিজেড স্থাপন করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

এক-দেড় মাসের মধ্যে পরীমনিসহ ১৫ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন : সিআইডি

Paris
Update : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১

এফএনএস : ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনি, প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ, মডেল পিয়াসা, হেলেনা জাহাঙ্গীর, জিসান, মিশুদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫টি মামলা তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এসব মামলায় একে একে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার (অতিরিক্ত আইজিপি) মাহবুবুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সিআইডি প্রধান বলেন, আমরা ১৫টি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পালন করছি। প্রত্যেকটি মামলার মোটিভ, গতি-প্রকৃতি আলাদা। মামলার প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ যেমন সাক্ষী-আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা, আলামত সংগ্রহ ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা। মাদক মামলার কিছুকিছু ক্ষেত্রে ফরেনসিক ও কেমিক্যাল পরীক্ষার প্রয়োজন ছিল। সেগুলো আমি করতে দিয়েছি।

আসামি ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ আমাদের প্রায় শেষ পর্যায়ে। ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, ফরেনসিক প্রতিবেদন পেলেই এই ১৫ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা শুরু করতে পারবো। আমরা আশা করছি আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা শুরু হবে। এই ১৫ মামলার আসামি পরীমনি বা পিয়াসাদের বাসায় মাদক রাখা ও সংগ্রহ করার বিষয়ে কি ধরনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি? জানতে চাইলে অতিরিক্ত আইজিপি মাহবুবুর রহমান বলেন, মাদক মামলার আলামত তো পাওয়াই গেছে। সেগুলো আদৌ মাদক কি-না তা জানতে কেমিক্যাল ও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। জব্দ মাদকের উৎস সম্পর্ক কী জেনেছে সিআইডি? জানতে চাইলে মাহবুবুর রহমান বলেন, অনেকেই অনেক রকম তথ্য দিয়েছেন।

কেউ বলেছেন, বিদেশ থেকে নিয়ে এসেছেন, কেউ বলেছেন বিমানবন্দর থেকে কিনেছেন, কেউ নানা উপায়ে সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু যেখান থেকেই সংগ্রহ করা হোক না কেন, এইসব মাদক অনুনোমোদিত উপায়ে সংগ্রহে রাখা বা মজুত রাখা আইনত অন্যায়। এই ১৫ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইমের তথ্য উপাত্ত পেয়েছেন কি-না জানতে চাইলে সিআইডি প্রধান বলেন, তদন্তের এই পর্যায়ে আমরা অর্থপাচারের তথ্য-উপাত্ত ইনকোয়ারি পর্যায়ে আছি। অর্থপাচার মামলার ক্ষেত্রে দুটি পর্যায়। একটি যাচাই বাছাই আরেকটি ইনকোয়ারি। আমরা ইনকোয়ারি পর্যায়ে আছি। প্রায় ২২টি জায়গা থেকে রিপোর্ট পেতে হয়। সব রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর যদি মনে হয় অর্থপাচার হয়েছে তাহলে আমরা তদন্ত করবো।

এই ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত সংস্থার কাছ থেকে সিআইডি তথ্য চেয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা অনেকের তথ্য চেয়েছি। যাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর মনে হয়েছে অর্থপাচার সংক্রান্ত কিছু আছে তাদের বিষয়ে আমরা তথ্য চেয়েছি। আমরা সেগুলো যাচাই বাছাই করছি। যারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তার সঙ্গে ১৬১ ধারায় দেয়া তথ্যের মধ্যে কী মিল বা কোনো পার্থক্য ছিল কি-না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা ১৬৪ করেছে তাদের ১৬১ ধারায় দেয়া তথ্যের সঙ্গে মিল খুঁজেছি। যেটার মিল ছিল না সেটা আলাদা পার্ট করেছি। প্রয়োজনে সেগুলো আমরা আবার তদন্ত করবো। তবে অনেক তথ্যের মিল ছিল।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris