মঙ্গলবার

২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের বর্জ্যে দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ অটোরিক্সা চালকদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল অফিস পেয়ে গাড়িও চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেসবুক লাইভে এমপি বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলে নেই বসার বেঞ্চ সপ্তাহজুড়ে ক্লাস বন্ধ! আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোঃ শাহজাহানের সাফল্য রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রাসিক প্রশাসকের নতুন উদ্যোগ গুলশান কার্যালয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

নওগাঁয় হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী

Paris
Update : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১

নওগাঁ থেকে প্রতিনিধি : নওগাঁর রানীনগরে ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাট, বিজ্ঞ আদালতে দুই আসামির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান ও লাশ বহনকারী একটি পিকআপ জব্দ করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, ১৯ এপ্রিল রানীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের ধনপাড়া গ্রামের একটি পুকুরে এলাকাবাসি প্লাষ্টিকের একটি ড্রামের ভিতর অজ্ঞাত এক ব্যাক্তির লাশ দেখতে পায়।

পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্তলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠান। পুলিশ সুপার আরো জানান-এ ঘটনায় গ্রাম পুলিশ আব্দুল আজিজ বাদি হয়ে রানীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে সেই মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ গুরুত্বের সাথে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে নিহত পরিচয় পাওয়া যায়। নিহতের নাম শহীদুল ইসলাম। সে আত্রাই উপজেলার বাউল্ল্যাপাড়া গ্রামের সেকেন্দার আলীর ছেলে।

পরে নিহতের পরিবারের কাছ থেকে জানা যায়, শহীদুল ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে কাকরা ট্রলি কেনার জন্য নওগাঁ শহরে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে তার সাথে পরিবারের আর কেউ যোগাযোগ করতে পারে নাই। তিনি আরো জানান-এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে পুলিশ আত্রাই উপজেলার বাজেধনেশ্বর গ্রামের মমতাজ সরদারের ছেলে আলম সরদার (৩৫) ও বাউল্যাপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মামুনুর রশিদ ঋতু (২১) এবং মান্দা উপজেলার বড়পই গ্রামের ইয়াছিন দেওয়ানের ছেলে জুয়েল রানা ও বয়েন উদ্দিনের ছেলে বুলবুল হোসেন (৪৫) কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে সোপর্দ করে ২দিনের রিমান্ডে এনে জিঞ্জাসাবাদে হত্যাকান্ডের কিছু তথ্য পাওয়া যায়। সেই তথ্যর ভিত্তিতে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকায় মান্দা উপজেলার দূর্গাপুর মধ্য পাড়ার আব্দুস সামাদ ছেলে সজিব (২৩) এবং দূর্গাপুর সোনারপাড়া গ্রামের বাহার আলীর ছেলে সোয়েল রানা (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের জিঞ্জাসাবাদে শহীদুলকে একটি ভাড়া বাসায় হত্যা করে তার কাছে থাকা টাকা নিয়ে মান্দার সতীহাট থেকে একটি পিকআপে করে ড্রামের ভিতর ভরে লাশটি উক্ত স্থানে ফেলে রেখে চলে আসে।

পরে শনিবার আসামীরা পুলিশের কাছে এবং আদালতে কাছে নিজেদের হত্যাকান্ডের জড়িত থাকার ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ একেএম মামুন চিশতী ও সদর সার্কেল আবু সাঈদ, রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিন আকন্দ, নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন জুয়েলসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris