সোমবার

৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি হল ভ্যাকসিন, মানবদেহে সফল পরীক্ষা বাগমারার তাহেরপুর হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ পাবনায় নতুন বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে : শিল্পমন্ত্রী নওগাঁ সীমান্তে বিএসএফ’র পুশইনের অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দিলো বিজিবি

রোহিঙ্গা দুই বোনকে বিয়ে করে সন্তানসহ দুই ভাই আটক

Paris
Update : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

এফএনএস : সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে দুই ভাই বিয়ে করেছেন উখিয়া ক্যাম্পের দুই রোহিঙ্গা বোনকে। দুজনের দুই শিশুসন্তানও রয়েছে। এক রোহিঙ্গা আত্মীয়সহ এই দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার তাদের আটক করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের ইন্দ্রপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে ফারুক মিয়া (২৬) তিন বছর আগে ২০১৭ সালে উখিয়া ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মৃত ইব্রাহিম আলীর মেয়ে সুপাইয়া বেগমকে (২০) বিয়ে করেন। বিয়ের পর সুপাইয়ার বোন রুবিনারও যাতায়াত ছিল ফারুকদের বাড়িতে।

পরে রুবিনা আক্তারকেও (১৮) বিয়ে করে ফারুকের ভাই মোবারক হোসেন (২১)। কাজী বা রেজিস্ট্রি ছাড়াই স্থানীয় আলেম এই দুই বিয়ে পড়ান। ফারুক ও সুপাইয়া দম্পত্তির ফরহাদ হোসেন নামের ৬ মাস বয়সী এবং মোবারক ও রবিনা আক্তারের রিফাত হোসেন নামের ৪ মাস বয়সী শিশুসন্তান রয়েছে। গত সোমবার পুলিশ খবর পায় টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের এই এলাকায় রোহিঙ্গা তরুণ সুপাই মিয়া (২২) ঘোরাঘুরি করছেন। পরে গভীর রাতে পুলিশ তাকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে, ইন্দ্রপুর গ্রামে সুপাইয়ের দুই ফুফু রয়েছেন।

তাদের বাড়িতেই সুপাই এসেছেন। পরে এই দম্পত্তিসহ পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। তাহিরপুর থানার ওসি আবদুল লতিফ তরফদার পাঁচজন আটকের কথা স্বীকার করে বলেন, দুই রোহিঙ্গা তরুণীকে বিয়ে করেছেন ইন্দ্রপুর গ্রামের দুই সহোদর। তাদের দুই শিশুসন্তানও রয়েছে। তাদের আত্মীয় রোহিঙ্গা তরুণসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান রোহিঙ্গাদের আটকের কথা স্বীকার করেন। জিজ্ঞাসাবাদের আগে এর বেশি তথ্য জানানো যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris