সর্বশেষ সংবাদ
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে ওয়াসা এমডির উন্নয়ন-নাগরিক সেবা নিয়ে আলোচনা রাজশাহীতে ট্রেন অবরোধে ক্ষতি ৩৫ লাখ টাকা, ভোগান্তিতে পড়েন ২০ হাজার যাত্রী পাবনায় খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাসহ তার বাবা ও স্ত্রীর পাঁচ বছর করে কারাদন্ড জোরেশোরে চলছে রোপা-আমন রোপনের কাজ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটির আট প্রকল্প অনুমোদন রাজশাহী নগরীতে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ‘রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে গুজবে কান দিবেন না’ সাপাহারে বীর মুক্তিযোদ্ধা বছির উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন শেখার স্বাধীনতা ও মানসিক বিকাশের দিকে নজর দিলে শিশুরা আবার আনন্দের সাথে স্কুলমুখী হবে জিআই খ্যাত রাজশাহীর পানপাতার দাম কম, অর্থনৈতিক সংকটে কৃষক-শ্রমিকরা

পাবনায় খাদ্য গুদাম কর্মকর্তাসহ তার বাবা ও স্ত্রীর পাঁচ বছর করে কারাদন্ড

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ফজলুর রহমান, পাবনা : পাবনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদকের) মামলায় এক সহকারি খাদ্য পরিদর্শকসহ তার বাবা ও স্ত্রী’র পাঁচ বছর করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পাবনার স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা পৃথক দুটি মামলায় এই রায় প্রদান করেন। কারাদন্ড ছাড়ায় ৫ কোটি টাকার অর্থ দন্ড ও সমুদয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুটি উপজেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা সহকারি খাদ্য বিভাগের পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম (৩৯) দুর্নীর্তি ও অবৈধ আয়ের মাধ্যমে ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা অর্জন করেন এবং সেই টাকা তার পিতার নামে থাকা জমিতে ভবন নির্মাণে বিনিয়োগ করেন। এ কাজে তার পিতা মো. সহিদুল ইসলাম প্রামাণিক অবৈধ আয়কে বৈধ দেখাতে সহযোগিতা করেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া মনিরুলের স্ত্রী মোছা. ডলি খাতুনের নামে একটি ডেইরি ফার্মের মালিকানা দেখানো হয়। সেখানে ডলির নামে ৬০ লাখ টাকার বিনিয়োগ প্রদর্শন করা হয়। এ সব বিষয়ে দুদক সম্পদ বিবরণী চাইলে তারা তাদের ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ২৭৩ টাকার সম্পদ বিবরণী প্রদান করেন। পরে দুদক তদন্ত করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসে। দুদক সুত্র জানায়, ঘুষ, দুর্নীতি ও অবৈধ্য আয়ের মাধ্যমে মনিরুল ও তার পরিবার গত ৫ বছরে কয়েক’শ বিঘা জমি ও ডেইরি ফার্মের মালিক হয়েছেন। এছাড়া নামে বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন, (দুদক) সমন্বিত জেলা কাযালয়ের উপ-পরিচালক মো: শহিদুল আলম সরকার বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন। ১৪৪ জনের সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত পৃথক রায়ে মো. মনিরুল ইসলামকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় উভয় মামলায় পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেন। পাশাপাশি প্রথম মামলায় ৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় মামলায় ৬০ লাখ ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন।
একই রায়ে মনিরুল ইসলামের বাবা মো. সহিদুল ইসলাম প্রামাণিককে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দন্ডবধির ১০৯ ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড দেওয়া হয়। একই ধারায় মনিরুলের স্ত্রী মোছা. ডলি বেগমকেও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া মামলা সংশ্লিষ্ট আসামিদের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশন, (দুদক) সমন্বিত জেলা কাযালয়ের উপ-পরিচালক মো: শহিদুল আলম সরকার বার্তা সংস্থা পিপ‘কে বলেন, এটি একটি নজির বিহীন রায়। এই রায়ের মাধ্যমে পরিবারের সব সদস্যরা দুর্নীতি না করতে পরিবার প্রধানকে নিরুৎসাহিত করবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris