পুঠিয়া সংবাদদাতা
রাজশাহীর পুঠিয়ায় বিড়ালদহ এসকেএডিএস মাদরাসার অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমানকে অপহরণের ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। গত সোমবার রাতে পুঠিয়া থানায় মামলা করেন তিনি। মামলার আসামীরা হলো (১) মাইনুল ইসলাম (মোহিন) পিতা: আবুল হোসেন, বয়স: ৩০, গ্রাম: বিড়ালদহ মাজার (২) মোঃ শরিফুল ইসলাম শরিফ (ডাবলু) পিতা: আবুল কালাম, বয়স: ২৯, গ্রাম: কান্দ্রা (৩) তুষার, পিতা: মৃত: আনছার, বয়স: ২৪, গ্রাম: বিড়ালদহ মাজার (৪) রহমান, পিতা: রশিদ, বয়স: ৩৫, গ্রাম: পলাশবাড়ী (৫) হুমায়ন ওরফে হুমা, পিতা: আঃ মজিদ দফাদার, বয়স: ৪২, গ্রাম: মাইপাড়া (৬) বাবলু রহমান, পিতা: আব্দুল মান্নান, বয়স: ৪৫, গ্রাম: খুটিপাড়া (৭) কামাল হোসেন, পিতা: হযরত আলী, বয়স: ৪৮, গ্রাম: নয়াপাড়া সর্ব থানা পুঠিয়া।
মামলা সূত্রে প্রকাশ, রাজশাহী ৫ এর এমপি শনিবার মাদরাসার অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমানকে ফোন করে তার সাথে দেখা করার জন্য বলেন। কথা না মানলে তাকে ঘাড় ধরে তুলে আনা হবে বলে হুমকি দেন। এসময় অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান পাবনায় গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রোববার মাদরাসায় পৌঁছলে সকাল নয়টার দিকে আসামীরা ১টি সাদা রং এর মাইক্রো বাস নিয়ে অবৈধ ভাবে মাদরাসায় সশস্ত্রভাবে অনুপ্রবেশ করে। এরপর তারা এমপি ডা: মনসুর রহমান সাহেবের হুকুমে আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে হবে। যদি কেউ বাধা প্রদান করে তবে তাহার লাশ ফেলে দেওয়া হবে বলে পিস্তল ঠেকিয়ে ভয় দেখিয়ে তাকে মারতে মারতে গাড়িতে তুলে এমপির রাজশাহীর বাড়িতে নিয়ে যায়। অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান বলেন, আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছি।
এদিকে এব্যাপারে এলাকার এমপি ডা. মনসুর রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পুঠিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, অধ্যক্ষ সাহেবকে এমপির বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।