বুধবার

১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী লিবিয়ায় অপহৃত মান্দার আলমগীরের মৃত্যু, আড়াই মাস পর মরদেহ শনাক্ত রাজশাহীতে ক্লুলেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, বিএনপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী

বিদেশি সবজি ‘স্কোয়াশ’ চাষ করে সফল দুর্গাপুরের কুদ্দুস

Paris
Update : সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

শাহীন আলম, দুর্গাপুর : রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার পানানগরে চাষ হচ্ছে বিদেশি সবজি “স্কোয়াশ”। এই সবজির দেশ ও দেশের বাহিরে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ফলে, রপ্তানির অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নতুন এই সবজি চাষে কৃষক লাভবান হওয়ায়, স্বল্প পরিচর্যা ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষক শ্রেণী এই সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। কৃষক কুদ্দুস আলী জানান,আমি এই সবজি খেত দেখভাল করি,চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে ফসল বিক্রি পর্যন্ত সব কিছুই আমি করি। মালিক এই সবজির কথা আমায় যখন বলে, কিছুটা বিব্রতকর লেগেছিল। বিদেশি সবজি আমাদের দেশে কিভাবে ফলা ব’? এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিলাম।

ভাবলাম চারা উৎপাদন করে, দুর্গাপুর কৃষি অফিসের সহযোগিতা নেবো। মালিক আলতাফ হোসেন সূদুর দক্ষিণ কোরিয়া হতে, এই বীজ সংগ্রহ করে। খুব সুন্দর চারা উঠেছিল। কৃষি অফিসের সহযোগিতায় আমি তিন বিঘা জমিতে এই সবজি রোপণ করি। তেমন কোন কীটনাশকের প্রয়োজন হয়নি, শুধুমাত্র আলোক ফাঁদ ব্যবহার করেছে। বীজ থেকে উৎপাদনে যেতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে আমি ৭০০,৮০০ “স্কোয়াশ” উৎপাদন হয়। এগুলো দুর্গাপুর ও রাজশাহীতে প্রতিপিস ১৮ থেকে ২০ টাকা করে বিক্রি করি। খুবই স্বল্প সময়ে এগুলো বিক্রি হয়ে যায়। এ পর্যন্ত প্রায় দেড় লক্ষ টাকার বিক্রি হয়েছে,আরো দেড় লক্ষ টাকার আশা করছি। এই সফলতার পেছনে কৃষি অফিসের অনেক ভুমিকা রয়েছে, তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতার কারণেই এই সফলতা।

উপজেলা কৃষি অফিসার মশিউর রহমান জানান, এই সবজিটি বাংলাদেশের নতুন,অনেক পুষ্টিকর হওয়ার কারণে দেশ ও দেশের বাহিরে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই সবজির ইউরোপ ও আমেরিকা তে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ফলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এটি শীতকালীন সবজি দুর্গাপুরের জলবায়ু এটি উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত। কোন কীটনাশক ব্যবহার ছাড়া শুধুমাত্র জৈব সার ব্যবহার করে উৎপাদন সম্ভব। এটি উৎপাদনে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখতে হবে, সেইসাথে যাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। এতে করে উৎপাদন খরচ কম্বে বাড়তি লাভ হবে কৃষকদের। আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris