শনিবার

১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশ স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগ

Paris
Update : বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২

সাবাইহাট থেকে প্রতিনিধি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে ২০২০ সালে পরিণয়। সংসারে তাঁদের ১৬ মাস বয়সের একটি কন্যা শিশু সন্তান রয়েছে। আলট্রাসনোগ্রামে গর্ভে কন্যা শিশুর লক্ষণ স্পষ্টের পর নাখোশ পিতা রিদুয়ানুল হক (২৪)। রিদুয়ানুল হক (পুলিশ কনস্টেবল/৯৩৩৪, বিপি-০১২০২৩৬৬০৫, ৯ এপিবিএন, ষোলশহর চট্রগ্রামে কর্মরত)। রিদুয়ানুলের পিতার নাম আঃ সালাম গ্রাম মৌলভী পাড়া (বাংলা বাজার) থানা কক্সবাজার সদর, জেলা কক্সবাজার। স্ত্রী সামিউন নেসা (২২) কে গর্ভের সন্তান নষ্টের জন্য চাপ দিতে থাকেন পুলিশ সদস্য স্বামী রিদুয়ানুল হক। সামিউন নেসার বাবার বাড়ী রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার খামারগ্রামে। সন্তান নষ্টে আপত্তি জানালে সামিউনের উপর শুরু হয় শারীরিক, মানষিক নির্যাতন। দাবী করা হয় কখনও দুই লক্ষ, কখনবা ত্রিশ লক্ষ টাকার যৌতুক।
সূত্র জানায়, স্ত্রীকে চরিত্রহীন বানাতেও সাজানো হয় পরিকল্পিত নাটক। এমন কী শাশুড়ি, নানী শশুড়ি, শালিকাকে শারীরিক নির্যাতন করার অভিযোগ রয়েছে। সে কারণে কর্তপক্ষ তাঁকে দুর্গম এলাকায় শাস্তিমূলক বদলীও করেছিল।ৎ

মাঝে মধ্যে কথায় কথায় সামিউনের উপর শারীরিক নির্যাতন করা হত। একাধিক বার পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছে। বিগত ১ লা রমজান মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। মাথায় দিতে হয় দুটি সেলাই। বাম চোখে আঘাত করলে ফুলে ফেঁপে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়। চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে গিয়েও নানা ভাবে হুমকি ধামকি দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। কেবলমাত্র পুলিশে চাকরির সুবাদে রিদুয়ানুল হক বার বার স্ত্রীকে নির্যাতন করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এমন অভিযোগ করেন খামারগ্রামের বাসীন্দা আলাউদ্দীন মন্ডল এবং শাশুড়ি আফরোজা বেগম। বিভিন্ন সময় নির্যাতন করলে স্থানীয়ভাবে নন জুড়িশিয়াল স্টাম্প ও সাদা কাগজে নির্যাতন করবে না মর্মে অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করেন রিদুয়ানুল হক। অভিযুক্ত এপিবিএন সদস্য রিদুয়ানুল হকের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কল করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। সেজন্য তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে ভিকটিম তাঁর কন্যা শিশু সন্তান নিয়ে পিত্রালয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সামিউন নেসার অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ব্ধোতন পুলিশ কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এসবের প্রতিকার চেয়ে সামিউন নেসা অতিরিক্ত আইজিপি এপিবিএন হেডকোয়াটার্স বাংলাদেশ পুলিশে লিখিত অভিযোগ এবং রাজশাহী কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন।

 


আরোও অন্যান্য খবর
Paris