সোমবার

১৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
উচ্চ রক্তচাপ দিবস উপলক্ষে রাজশাহী হার্ট ফাউন্ডেশনে ৫ দিন বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ক্রীড়াকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে : মিনু প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের বৈঠক তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : মিলন সাংবাদিকসহ জনগণের সহযোগিতা কামনা করলেন আরএমপি কমিশনার মেয়েদের জন্য ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজের ঘোষণা যেন লোক দেখানো না হয় : জামায়াত আমির রাজশাহী কোর্ট কলেজে বরণ-বিদায় ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কাজী নজরুল ইসলাম সম্মাননা পেলেন কবি শামীমা নাইস ছোট্ট জান্নাতের মৃত্যু যেনো নাড়িয়ে দিলো প্রতিটি হৃদয়

ইসি মাহবুবের পাল্টা জবাব, সিইসি হুদাও চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়েছেন

Paris
Update : শনিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২২

এফএনএস : নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের চিকিৎসায় বছরে ইসির ব্যয় ৩০-৪০ লাখ টাকা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার এ বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেছেন, নির্বাচন বিষয়ে আমার ভিন্নধর্মী অবস্থানের কারণে সিইসি তার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য চিকিৎসার বিষয় উল্লেখ করে আমার বিরুদ্ধে এহেন নিকৃষ্ট পথ বেছে নিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচন কমিশনারদের চিকিৎসাবিধি অনুযায়ী তার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করা হয়েছে। সিইসি নিজেও ইসি থেকে চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশনার হিসেবে অসুখের যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া আমার মৌলিক অধিকার। চিকিৎসার কারণেই আমি এখন পর্যন্ত বেঁচে আছি। নির্বাচন বিষয়ে আমার ভিন্নধর্মী অবস্থানের নিমিত্ত সিইসি তার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য চিকিৎসার বিষয় উল্লেখ করে আমার বিরুদ্ধে এহেন নিকৃষ্ট পথ বেছে নিয়েছেন। মাহবুব তালুকদার বলেন, গত ২৭ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা নির্বাচন ভবনে এক প্রেস কনফারেন্স করে আমার চিকিৎসার ব্যয় বছরে ৩০ লাখ থেকে ৪০ লাখ টাকা বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তিনি অবশ্য খরচের প্রকৃত হিসাব প্রদান করেননি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে উদ্দেশ্য করে বিবৃতিতে তিনি আরও বলেছেন, তিনি আমাকে রোগাক্রান্ত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করে বলেছেন, আমি কখনো আইসিইউতে বা কখনো সিসিইউতে থাকি। কিন্তু ইচ্ছে করলেই কেউ আইসিইউ বা সিসিইউতে থাকতে পারে না। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে বিশদভাবে অবহিত করা প্রয়োজন মনে করি। নির্বাচন কমিশনার হওয়ার সময় থেকেই তিনি প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত উল্লেখ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, ক্যানসার কালক্রমে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছে। আমি সিঙ্গাপুর ও ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করিয়েছি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাসপাতালের চারজন চিকিৎসকের সমন্বয় গঠিত মেডিকেল বোর্ড দুই দফা শারীরিক পরীক্ষা করে আমাকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমোদন দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনারদের চিকিৎসাবিধি অনুযায়ী আমার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহ করা হয়েছে। তবে গত দুই বছরে আমি চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে বিদেশে যাইনি। বরং এই দুই বছরে চিকিৎসার জন্য সম্পূর্ণ নিজের খরচে আমি আমেরিকা গিয়েছি। বর্তমানে কর্মরত নির্বাচন কমিশনাররা এবং অবসরপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনাররা সবাই-ই প্রাপ্যতা ও বিধি অনুযায়ী কমিশন থেকে চিকিৎসার খরচ নিয়ে থাকেন।

কে এম নূরুল হুদা নিজেও নির্বাচন কমিশন থেকে চিকিৎসার জন্য টাকা নিয়েছেন, যোগ করেন মাহবুব তালুকদার। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনে ‘আরএফইডি টক’ অনুষ্ঠানে সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, তিনি (মাহবুব তালুকদার) একজন রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। উনি আসলেই অসুস্থ, শারীরিক দিক দিয়ে। তিনি কখনও আইসিইউতে, কখনও সিসিইউতে থাকেন। সিঙ্গাপুরে ট্রিটমেন্ট (চিকিৎসা) করেছেন, ভারতে ট্রিটমেন্ট করেছেন। বছরে প্রায় ৩০-৪০ লাখ টাকার ট্রিটমেন্ট করেন, এটা নির্বাচন কমিশন বহন করে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris