বুধবার

২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের বর্জ্যে দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ অটোরিক্সা চালকদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল অফিস পেয়ে গাড়িও চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেসবুক লাইভে এমপি বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলে নেই বসার বেঞ্চ সপ্তাহজুড়ে ক্লাস বন্ধ! আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোঃ শাহজাহানের সাফল্য রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রাসিক প্রশাসকের নতুন উদ্যোগ গুলশান কার্যালয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

বাগমারায় ধর্ষণ মামলার আসামী ফজেলের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ

Paris
Update : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

মচমইল থেকে সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারায় ধর্ষণ মামলার আসামী ফজেলের (৫৫) বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। নানা অনিয়মে জর্জরিত সেই ধর্ষক ফজেল। ফজেলের বাড়ি উপজেলার বড়-বিহানালী ইউনিয়নের ছোট কয়া গ্রামে। তিনি মৃত তজের আলীর ছেলে। ৫ম শ্রেণীর এক (১১) শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ ফজেলকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ফজেল একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলনের আপন ভগ্নিপতি নাজমুল হকের পুকুরে পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন।

দীর্ঘদিন তিনি চেয়ারম্যানের ভগ্নিপতি নাজমুলের পুকুরে পাহারাদার হিসেবে কাজ করেছেন। পুকুর পাহারাদারের নামে এলাকায় নারী ভাড়া করে অশ্লীল কাজ কর্মে লিপ্ত থাকেন তিনি। বাহির থেকে নারী নিয়ে এসে এলাকায় দেহ ব্যবসা করতেন। দেহ ব্যবসা ছিল ফজেলের রাতের ব্যবসা। সেই সাথে নিজে পুকুর থেকে রাতের আঁধারে মাছ চুরি করে বিক্রয় করে। মাছ চুরির সেই ঘটনাকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে দেয়া হতো এলাকার সাধারণ মানুষের নামে মামলা।

আব্দুস সোবহান, আব্দুল মান্নান, আব্দুর রশিদ সহ কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন, ফজেলের নারী ব্যবসার কথা কেউ বলতে গেলে তাকে মাছ চুরির মামলায় ফাঁসানোর হুমকী প্রদান করতেন। অনেকের বিরুদ্ধে মাছ চুরির মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হতো। চেয়ারম্যানের ভগ্নিপতির পুকুরের মাছ পাহারাদার হওয়ার কারনে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেনি। সম্প্রতি তার এক আত্মীয়ের শিশু মেয়ের সাথে নিজের কুবাসনা মেটাতে গিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামী হয় ফজেল। সেই মামলায় তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই শিশুটি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুকুর পাহারাদারের এতো কিছু জানা থাকলেও তাঁর বিরুদ্ধে তেমন কোন ব্যবস্থায় নেননি চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলন সহ তার ভগ্নিপতি নাজমুল হক। নিজে চেয়ারম্যান হয়েও একজন অপরাধির সমস্ত অপরাধকে থামাচাপা দিয়ে গেছেন দীর্ঘদিন।

এ ব্যাপারে বড়-বিহানালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মিলনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা তিনি বলেন, আমরা আগে জানতামনা পুকুর পাহারাদার ফজেলের এমন কর্মকান্ড সম্পর্কে। যখন জানতে পেরেছি তখন পুকুর পাহারাদার থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে। ফজেল সত্যিকারে একজন খারাপ লোক। সে নারী দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত। বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে দায়েরকৃত মামলায় ফজেলকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris