সোমবার

২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কচুরিপানা বিপাকে মোহপুরের চাষিরা

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০

আর কে রতন, মোহনপুর : রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি মৌসুমে বোরো ধান ক্ষেতে কচুরিপানার জটে চাষাবাদ নিয়ে কৃষকরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। এবার বন্যা দীর্ঘস্থায়ী ও উপজেলা বিভিন্ন বিলে অপরিকল্পিত পুকুর খনন করায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণে স্মরণকালের কচুরিপানার জট তৈরী হয়েছে। এতে করে একদিকে বিলের পানি দূষিত হচ্ছে আর অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য। সময়মতো কচুরিপানা অপসারণ করা না গেলে চলতি বোরো মৌসুমে শত শত হেক্টর জমি অনাবাদী থাকার আশঙ্কা করছেন কৃষিসংশ্লিষ্টরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেশরহাট পৌরসভাসহ উপজেলার ধুরইল, বাকশিমইল, জাহানাবাদ, মৌগাছি, ঘাসিগ্রাম ও রায়ঘাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন বিলে শত শত হেক্টর আবাদী জমিতে এখন কচুরিপানায় পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। প্রতি বছর এসব বিলে আমনসহ অন্য ফসল আবাদ করলেও এ বছর কচুরিপানার জন্য আমন ধান এবং রবিশরস্য আবাদ হয়নি। তাই কচুরিপানা অপসারণ করতে গিয়ে বিল অঞ্চলের কৃষকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। একবিঘা জমি থেকে কচুরিপানা অপসারণ করতে ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিকের প্রয়োজন হচ্ছে। একজন শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে ৪০০-৫০০ টাকা। আর এ কারণে অর্থ ব্যয় বেশি হওয়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

বাকশিমইল গ্রামের কৃষক জফির উদ্দিন বলেন, বিলের পানিতে কচুরিপনা বেশিদিন থাকার কারনে পানি দূষিত হওয়ায় কচুরিপানা অপসারণের জন্য শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে না। আর যারা কাজ করছেন, তারাও অতিরিক্ত মজুরি দাবি করছেন। মহব্বতপুর গ্রামের কৃষক ও ধুরইল ইউপি‘র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দোলোয়ার হোসেন বলেন, ধুরইল ইউনিয়নে বেম বড় কয়েকটি বিল আছে। বর্তমানে সব বিলের আবাদী জমিতে কচুরিপনার জট বেধে রয়েছে। কৃষকদের মধ্যে কচুরিপানা অপসারণকে কেন্দ্র করে কৃষকদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি আরো জানান সামনে বোরো আবাদে প্রতি বিঘায় কৃষকদের ৪-৫ হাজার টাকা অতিরিক্ত খরচ তাদের মাঝে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris