রবিবার

৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান রাজশাহীর জলাবদ্ধতা রোধে এক্সাভেটর দ্বারা ড্রেনের কাদা অপসারণ তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী রাসিকের রাজস্ব কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে দোয়ার অনুষ্ঠান নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন রাসিক প্রশাসক মোহনপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ একমন ধান বিক্রি করে হচ্ছে না একজন শ্রমিকের মুজুরি মহান মে দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী নাচোলে রেলওয়ের গোডাউনের যায়গা লিজ নিয়ে মালামাল লুটের অভিযোগ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

লোকসানের মুখে পোল্ট্রি শিল্প

Paris
Update : শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১

গোমস্তাপুর সংবাদদাতা : চলমান লকডাউনের প্রভাবে পোল্ট্রি খামারিদের চরম লোকসান গুনতে হচ্ছে। একেতো লকডাউন অন্যদিকে গত কোরবানির প্রভাবে তেমন মুরগিও বিক্রি হচ্ছে না। ফলে খামারের মুরগি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে খামার মালিকরা। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছোট বড় প্রায় দু’শতাধিক মুরগির খামার রয়েছে। এসব খামারে ব্রয়লার ও সোনালি জাতের মুরগি উৎপাদন হয়ে থাকে। খামারিরা মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করে মুরগি উৎপাদন করে থাকেন। এসব মুরগি উৎপাদনে খামার তৈরি, শ্রমিক নিয়োগ, রুটিন মতো খাবার পরিবেশন ও পরিচর্যা সবকিছু মিলিয়ে বিক্রয় উপযোগী মুরগি তৈরি করতে একজন খামার মালিককে অর্থ বিনিয়োগ ও শ্রম ব্যয করতে হয়।

সে অনুযায়ী মুরগির দাম না থাকায়, খামারিদের এখন চরম লোকসান গুনতে হচ্ছে। লকডাউনের আগে বাজারে মুরগির যে দাম ছিল তাতে তারা বেশ লাভবান হলেও, এখন মুরগি বাজারজাত করতে না পারায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। রহনপুর কলেজ মোড়ের হাসান আলী নামক একজন খামারি জানান, লকডাউন এর আগে সোনালী মুরগি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৩৫ থেকে ১৪০ কেজি পাইকারি দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে লকডাউনের প্রভাবে সেই সোনালি মুরগি ১৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা, আর ব্রয়লার মুরগি ১২০ টাকা ১২৫ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবুও পাইকারি ক্রেতা এখন অনেক কম। সিরাজুল ইসলাম নামে একজন খামারি বলেন, তার খামারে প্রায় ৩ হাজার মুরগি উৎপাদন হয়ে থাকে। অথচ বিক্রির উপযোগী হলেও লকডাউনের কারণে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজারে মুরগির দাম কম অথচ তাদের খাদ্য সামগ্রীর দাম ও শ্রমিকের মজুরি অনেক বেশি। বেশি খরচে মুরগি উৎপাদন করে কম মূল্যে এগুলো বিক্রি করে অনেক লোকসান গুনতে হচ্ছে। ক্রমাগত লোকসানের কারণে গত বছরের মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত অনেক খামারি তাদের খামার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে মুরগি বিক্রেতাদের কাছ থেকে জানা গেছে, আগে প্রতিদিন অধিকাংশ বিক্রেতা প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার বেশি মুরগি বেচাকেনা করতেন। এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে চলমান লকডাউনে মুরগির বাজারে ধস নেমে এসেছে। তাদের প্রতিদিন ৫/৬ হাজার টাকার বেশি বেচাকেনা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে খামারিদের।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris