এফএনএস : চিত্রনায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামি তুহিন সিদ্দিকী অমির দুই সহযোগী বাছির ও মশিউর মিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল শনিবার তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে বুধবার তাদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর পাসপোর্ট আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তাদের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার একটি অফিস থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিশেষ অনুমতি ছাড়া বেআইনিভাবে পাসপোর্ট রাখার দায়ে তাদের প্রথমে আটক করা হয়।
এরপর এ ঘটনায় দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় অমি ও তার দুই সহযোগীকে আসামি করা হয়েছে। দক্ষিণখান থানার ওসি শিকদার মোহাম্মদ শামীম বলেন, দক্ষিণখান থানার আশকোনা হাজি ক্যাম্প সংলগ্ন সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তুহিন সিদ্দিকী অমির। সেই প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তা বাছির ও মশিউর মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে ঢাকা জেলা পুলিশ এসে দক্ষিণখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আটকের পর ঢাকা জেলা পুলিশ বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা করে। ওই মামলায় বাছির ও মশিউর মিয়াকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলাটি পাসপোর্ট অ্যাক্টে করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০২টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানটি তুহিন সিদ্দিকী অমির হলেও এর পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বাছির ও মশিউর মিয়া। তাদের মধ্যে একজন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং অন্যজন মার্কেটিং ডিরেক্টর।