বুধবার

২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের বর্জ্যে দূষণের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ অটোরিক্সা চালকদের সাথে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় অস্বচ্ছতার অভিযোগে রাজশাহী চেম্বারের নির্বাচনী ফলাফলর বিরুদ্ধে আপিল অফিস পেয়ে গাড়িও চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ পরীক্ষাকেন্দ্রে ফেসবুক লাইভে এমপি বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলে নেই বসার বেঞ্চ সপ্তাহজুড়ে ক্লাস বন্ধ! আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ড. মোঃ শাহজাহানের সাফল্য রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে রাসিক প্রশাসকের নতুন উদ্যোগ গুলশান কার্যালয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত ব্যস্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

মান্দায় ভোক্তা অধিকার আইনে রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ীর জরিমানা

Paris
Update : বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১

মান্দা প্রতিনিধি : নওগাঁর মান্দায় ভোক্তা অধিকার আইনে শ্রী পরেশ চন্দ্র প্রামানিক (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীর নিকট থেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১২ টার দিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁর কার্যালয়ে উভয়পক্ষের শুনানী শেষে এ জরিমানা গুনতে হয়েছে তাকে। একই সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে ভোক্তার নিকট থেকে হাতিয়ে নেওয়া ৪২ হাজার ৫০০ টাকাও ফেরত দেন দোকানি পরেশ চন্দ্র।

ব্যবসায়ী পরেশ চন্দ্র প্রামানিক উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের বাংড়া গ্রামের উপেন্দ্রনাথ চন্দ্র প্রামানিকের ছেলে। সাবাই বাজারে মেসার্স লাবনী ট্রেডার্স নামে তার রড-সিমেন্টের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। অন্যদিকে ভোক্তা বকুল হোসেন একই ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে।

ভোক্তা বকুল হোসেন জানান, বসতবাড়ি নির্মাণের জন্য মেসার্স লাবনী ট্রেডার্সের মালিক পরেশ চন্দ্র প্রামানিকের নিকট থেকে অগ্রিম টাকা পরিশোধের মাধ্যমে ৫ হাজার ৮৮৭ কেজি রড ও ৪৩০ বস্তা সিমেন্ট ক্রয় করি। কিন্তু দোকান মালিক প্রতিশ্রুত পণ্য সরবরাহ না করে নিম্নমানের সামগ্রী সরবরাহ করেন এবং বাড়তি টাকা নেন।

তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে পরেশ চন্দ্রের সঙ্গে আলোচলা করে সুরাহা না হওয়ায় ভোক্তা অধিদপ্তরের নওগাঁ শাখায় অভিযোগ করি। প্রতারণার মাধ্যমে আমার কাছ থেকে যে ৪২ হাজার ৫০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছিল, দু’দফা শুনানী শেষে আজ মঙ্গলবার তা ফেরত পেলাম।

ভোক্তা অধিদপ্তর নওগাঁ শাখার সহকারী পরিচালক শামীম হোসেন জানান, দুই পক্ষের শুনানী ও প্রমাণাদি বিশ্লেষণ করে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ভোক্তার পাওনা ৪২ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দেওয়ার পর ব্যবসায়ী পরেশ চন্দ্রকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিধি অনুযায়ী জরিমানার ১০ হাজার টাকার মধ্যে অভিযোগকারী বকুল হোসেন পেয়েছেন ২৫ শতাংশ। ব্যবসায়ী পরেশ চন্দ্র প্রামানিক বলেন, আমি আসলে ভুলই করে ফেলেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর কোনোদিন হবে না। পরে জরিমানার ১০ হাজার ও ভোক্তার ৪২ হাজার ৫০০ টাকা তাৎক্ষণিক প্রদান করেন তিনি।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris