স্টাফ রিপোর্টার
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহী মহানগর যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে এখন উজ্জীবিত যুবলীগ। পুরো নগরীজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মহানগর যুবলীগের সম্মেলন। কে হচ্ছেন শিক্ষানগরী রাজশাহী যুবলীগের আগামী দিনের কান্ডারী। এ নিয়ে চলছে নানান গুঞ্জন। পদ প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যেই প্রচার উপকরণের ব্যবহার ও তৃণমূলে নিয়মিত কর্মীসভার মাধ্যমে নিজেদের আশা-আকাঙ্খা আর ইশতেহারতুল্য উপস্থাপনা তুলে ধরছেন। এবারের মহানগর যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে তৌরিদ আল মাসুদ রনি কতটা এগিয়ে জানতে চাইলে স্কুল জীবনের বন্ধু ও ১৫ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মাহাতাব হোসেন চন্দন এক চা চক্রে বলেন, প্রায় ঝিমিয়ে পড়া নগর যুবলীগকে সুসংগঠিত করে পুণঃরায় চাঙ্গা করতে প্রয়োজন সময়োপযোগি একজন দূর্দান্ত ও কর্মীবান্ধব নেতা। চন্দন বলেন, কয়েক মাস পরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুবলীগের উপর একটি বিশেষ দায়িত্ববোধ জন্মাবে। তাই যুবলীগকে কর্মীবান্ধব ও অতিমাত্রায় স্বচলে পরিণত করতে না পারলে নির্বাচনী কর্মযজ্ঞে তেমন একটা সফলতা আনতে পারবেনা যুবলীগ। সদ্য শেষ হওয়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে নগর ও ওয়ার্ড ভিত্তিক যুবলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে নবনির্বাচিত রাসিক মেয়র লিটন ভাইয়ের ভ্যানগার্ড হয়ে নগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি নেতা কর্মীদের পুণরায় সুসংগঠিত করে ভোটের মাঠে যেভাবে কাজ করেছে তাতেই স্পষ্ট যে, রনি যদি নগর যুবলীগে কাঙ্খিত পদের দায়িত্ব পায় তাহলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনিই পারবেন নির্বাচনী মাঠে ‘পাওয়ার অব হাউজ’ হিসেবে যুবলীগকে উপস্থাপন করতে। রাজনীতির ভাষায় যুবলীগকে ‘পাওয়ার অব হাউজ’ হিসেবেই ট্রিট করেন অনেকে। রনি শুধু একজন সাংগঠণিক ও মানবিক নেতাই নন; আঞ্চলিক ও জাতীয় মাপের একজন ক্রীড়া সংগঠক। ফাইটার রাজশাহী‘র টিম ওনার যুবলীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি। এছাড়াও বিসিবির রাজশাহী জেলার কাউন্সিলরও তিনি। ক্রীড়া সংগঠক, তরুণ ব্যবসায়ী ও রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিত মুখ তৌরিদ আল মাসুদ রনি। রাজনীতি, ব্যবসা বাণিজ্য আর ক্রীড়াঙ্গন এর মতো তিনটি ভিন্নধর্মী দায়িত্ব একই সাথে সাবলীলভাবে পরিচালনা করাটা খুব সহজ কাজ নয়। যে ব্যক্তি এটি পারে তাকে কোন ক্রমেই যথার্থ পদ-পদবী থেকে পিছিয়ে রাখা যায়না। নানামূখী যোগ্যতার কারনেই রনি সভাপতি পদের জন্য যথার্থ একজন প্রার্থী। যার কারণে, আমার ব্যক্তিগত মতামতে আমি বলবো বর্তমান রাজনৈতিক পরিমন্ডল বিবেচনায় এবারের মহানগর যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পদটির জন্য তৌরিদ আল মাসুদ রনি অদ্বিতীয় প্রার্থী। তবে, এটাও বলার অপেক্ষা রাখেনা, অন্য প্রার্থীরাও যে যার অবস্থান থেকে যোগ্য। আবার এটাও সত্য যে, রনির সদাচার, বন্ধুসুলভ আচোরণ, সাংগঠনিক দক্ষতা আর মহানুভবতা দলের তৃণমূলে নেতাকর্মীদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টির পাশাপাশি তাদের মনোকোঠায় শক্ত একটি স্থান করে নিয়েছে নগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও এবারের সম্মেলনের সভাপতি প্রার্থী তৌরিদ আল মাসুদ রনি বলে মন্তব্য প্রকাশ করলেন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির কর্মকর্তা ও রনির স্কুল জীবনের বন্ধু ও রাজনৈতিক সহচর মাহাতাব হোসেন চন্দন। রনির সাথে যারা শিরোইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯৫ সালের ব্যাচ ছিলেন তাদের সকলের সাথে আজও রনির রয়েছে সেই ছাত্রতকালীন বন্ধুসুলভ আচোরণ। যার কারেণ সে একজন বন্ধু ও কর্মী প্রিয় মানুষ। তাকে তাকে বর্তমান প্রেক্ষাপটনুযায়ী অদ্বিতীয় বললে বিন্দু পরিমাণও ভুল বলা হবে না বলে মন্তব্য চন্দনের। রনি নগর যুবরীগের যুগ্ম সম্পাদক হয়েও নিজ দায়িত্ববোধ থেকে মহানগরীর ৩৭টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতাদের আরো বেশি কর্মঠ ও শক্তিশালী করেছেন। সেই জায়গায় থেকে রনি একজন কর্মী বান্ধব নেতা। তাকে সভাপতি করা হলে সংগঠন আরো চাঙ্গা হবে। টানা প্রায় সাত বছর নেতাকর্মীদের পাশে আছেন মহানগর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি। নেতাকর্মীরা যেনো বিচ্ছিন্ন হয়ে না পড়েন, সে কাজটি করেছেন এই যুবলীগ নেতা। তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, অনুযোগ, আবদার শোনা ও দিক নির্দেশনার জন্য তৌরিদ আল মাসুদ রনি নগরীর দড়িখড়বোনা মোড়ে গড়ে তোলেন মহানগর যুবলীগের অস্থায়ী কার্যালয়। এরপর থেকে তৃণমূল নেতাকর্মীরা যেকোনো সমস্যায় তারা ছুটে আসেন রনির কার্যালয়ে। নেতাকর্মীরা যত বড় বিপদে পড়ুক না কেনো রনি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, শুনেছেন তাদের কথা। দেখেছেন নেতাকর্মীদের সমস্যা। সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন সমাধানের। এক্ষেত্রে সভাপতি পদে যোগ্য ও যথার্থ প্রার্থী রনি’র বিকল্প দেখছে না নেতাকর্মীরা বলে মন্তব্য চন্দনের।