স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহী শহরের অধিকাংশ রাস্তাগুলোতে ছোয়া লেগেছে আলোকায়নের। এর অন্যতম কারণ হলো প্রধান প্রধান সড়কগুলো উন্নীত হয়েছে ফোর লেনে। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে সুসজ্জিত ফুটপাত। রাস্তাগুলোর সৌর্ন্দয্য বৃদ্ধি আর অন্ধকার দূরীভুত করতে ল্যাম্পপোস্টগুলোতে লাগানো হয়েছে চোখধাঁধানো লাইট। কিন্তু ঠিক এর বিপরীত অবস্থা লক্ষ্য করা গেছে শহরের একমাত্র ভিআইপি রোড বলে পরিচিত বিমান বন্দর সড়কটিতে। এই সড়কের অধিকাংশ স্থানের ল্যাম্পপোস্টগুলোতে বছরজুড়েই থাকেনা লাইটের অস্থিত্ব। সন্ধ্যার পর থেকে পরের দিন ভোর পর্যন্ত এই রাস্তার অধিকাংশ স্থানজুড়েই বিরাজ করে অন্ধকারাচ্ছন্ন। ছোট আর মাঝারি গাড়িগুলোর চলাচলে বিঘ্নতা সৃষ্টির পাশাপাশি দূর্ঘটনার ভয় নিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হন চালকরা।
অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, এই সড়কের স্টেডিয়াম মার্কেটের সামনে থেকে নওদাপাড়া আমচত্বর পর্যন্ত প্রায় দুই কিলো দীর্ঘ স্থানজুড়ে রাস্তার একপার্শ্বের ল্যাম্পপোস্টগুলোতে নিয়মিত জ্বলেনা বিদ্যুতের লাইট। স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে বিজিবি ক্যাম্প পর্যন্ত পঁচিশটি ল্যাম্পে নেই লাইট। এরপর কয়েকটি পোস্টে লাইটের দেখা মিললেও, আবারো প্রায় পঁচিশ ত্রিশটি ল্যাম্পপোস্ট লাইট শুণ্য। এভাবেই চলছে দিনের পর দিন। স্থানীয়দের দেয়া তথ্যানুযায়ী মাসের অধিকাংশ সময়েই এমন পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকে এই সড়কের অধিকাংশ স্থান জুড়ে। শহরের সবচাইতে বেশি সংখ্যক যান চলাচল করে এই অন্ধকারাচ্ছন্ন বিমানবন্দর সড়কে। আবার যেসকল ল্যাম্পপোস্টগুলোতে লাইট আছে ঐসকল লাইটগুলোর উপরে নেই কোন প্রকার ঢাকনা। ঢাকনা না থাকার কারণে মৃদু প্রজ্বলিত আলোর প্রয়োজনীয় ছটা রাস্তা পর্যন্ত পৌছেনা। এছাড়াও লাইটগুলোর উপর ঢাকনা না থাকার কারণে বর্ষা মৌসুমে লাইটগুলোর স্থায়ীত্বও কমে যায়। ঐ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে নির্ভর করতে হয় রাস্তা সংলগ্ন দোকানপাটে জ্বলা লাইটের মৃদু আলো আর বিপরীত দিক থেকে আসা বড় কোন গাড়ির হেটলাইটের আলোর উপর; যেটি কিনা অনেকটাই ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য ছোট ও হালকা গাড়ির চালকদের। একদিকে অন্ধকার তো অন্যেিদক রাস্তার ইপর পরে থাকা নির্মাণ সামগ্রীর ভোগান্তি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে অটোচালকরা জানান, রাত হলেই চরম ঝুঁকি আর বিভ্রান্তি নিয়ে চলাচল করতে হয় এই সড়কে। কবে রাস্তার কাজ শেষ হবে। আর কবে হবে আলোকায়নের ব্যবস্থা।