বুধবার

১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী লিবিয়ায় অপহৃত মান্দার আলমগীরের মৃত্যু, আড়াই মাস পর মরদেহ শনাক্ত রাজশাহীতে ক্লুলেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, বিএনপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী

তানোরে রেকর্ড পরিমান জমিতে তীল চাষ

Paris
Update : সোমবার, ২২ মে, ২০২৩

তানোর প্রতিনিধি

রাজশাহীর তানোরে রেকর্ড পরিমান জমিতে তীলের চাষ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ। অল্প খরচে অধিক লাভের তীল চাষে উপজেলার কৃষকরা তেমন ভাবে আগ্রহ পোষন করতেন না। কিন্তু খরচ ও পরিশ্রম অনেক কম তীল চাষে। অতীতে ২-৩ বিঘা জমিতে করা হত তীল চাষ। কিন্তু কৃষি অফিসের তদারকিতে এবারে ২০ হেক্টর উচুঁ জমিতে হয়েছে তীলের চাষ। তবে আগামীতে এর পরিমান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ। উপজেলার বাঁধাইড়, মুন্ডুমালা ও কলমার কিছু এলাকায় চাষ হয়েছে। এতে করে চাষীরা ভালো ফলন পেলে আগামীতে তীল চাষে বিপ্লব ঘটতে পারে বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ। ফলে কৃষি অফিসারের বিভিন্ন রকম তদারকিতে সরিষা চাষ হয়েছিল রেকর্ড পরিমান জমিতে এবং বাম্পার ফলন ও দাম পেয়েছিল চাষীরা।

কৃষকরা জানান, জীবনে কখনো তীলের চাষাবাদ করিনি। কিন্তু কৃষি অফিসারের কথায় আমরা তীল চাষ করেছি এবং  গাছও ভালো আছে। দেশে ও বিদেশে তীলের চাহিদা প্রচুর। শুধু মাত্র একটি চাষ দিয়েই তীল বপন করা হয়েছে। সার কীটনাশক বা আগাঝা বলতে কিছুই নেই। গাছের চেহারা দেখে মনে হচ্ছে ফলন ভালো পাওয়া যাবে।  বর্তমান বাজারে ১ মন তীল ৪-৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে নিম্মে ৪ মন তীল হলে ৪ হাজার  টাকা মন হলে ১৬ হাজার টাকা দাম আসে। তবে বর্তমান বাজারে সাধারন জাতের তীল বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ১০০-১৫০ টাকা কেজি ধরে। কিন্তু গবেষনার তীলের দাম অধিক। কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গবেষনা সংস্থা ১৬ হেক্টর জমিতে যে পরিমান তীল লাগবে সেটা দিয়েছে ও বাকি চার হেক্টর জমিতে কৃষি অফিস থেকে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, অতীতে ২-৩ বিঘা জমিতে তীলের চাষ হত। কিন্তু এবার ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে যা রেকর্ড। দুই ধরনের তীল চাষ হয়েছে তার মধ্যে বিনা তীল চার ও বারি তীল চার জাতের  চাষ হয়েছে। তিনি আরো বলেন,  তীল চাষে খরচ একেবারেই কম। সার একবার ও কীটনাশক স্প্রে একবার সব মিলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। বিঘায় নিম্মে ৩ মন তীলের ফলন হলে ৪ হাজার টাকা মন ধরা হলে ১২ হাজার টাকা আসে। হিসেব করলে সাড়ে ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা লাভ হবে বিঘাপ্রতি এবং ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যাবে। বিল কুমারী বিলে বোরো ধান কাটার পর পতিত অবস্থায় আছে এসব নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধানতৈড় গ্রামে নিচে সবজি চাষ হয়, পড়ে থাকা জমিতে কোন কৃষক সবজি চাষ করতে চাইলে স্বল্প মেয়াদের সবজি বীজ সহ যাবতীয় সহযোগী তা করা হবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris