হাটগাঙ্গোপাড়া সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নরদাশ বাজারের এক কাঠের মিলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঐ মিল মালিকের নাম মো: শমসের আলী। তিনি নরদাশ ইউনিয়নের মাদিলা গ্রামের মৃত উমর আলীর ছেলে। এত করে তার প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। সরেজমিনে তদন্তে জানা গেছে, শমসের আলী নরদাশ বাজারে দীর্ঘ দিন যাবৎ কাঠের মিলের ব্যবসা করে আসছিলেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি অনান্য দিনের মত ব্যবসায়ীক কাজ কর্ম সেরে রাত নয়টার দিকে বাড়ি যান। এদিকে রাত ১২টার দিকে কে বা কাহারা তার মিল ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনের লেলিহান শিখা দেখে ও ফট ফট শব্দ শুনে নরদাশ গ্রামের এক প্রতিবেশী মো: মানিকের ছেলে নাজমুল হোসেন মিল মালিক শমসের আলীকে মোবাইল ফোনে এবং আসে পাশের লোকজন কে খবর দেয়। তাদের চিৎকার চেঁচামেচিতে এগিয়ে আসে প্রতিবেশী এবং পাশর্^বর্তী আরো অনেকেই।
মিলের পাশের এক পুকুর থেকে পানি নিয়ে প্রায় একঘন্টা চেষ্টার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে বলে জানিয়েছেন প্রতক্ষ্যদর্শীরা। কিন্তু ততক্ষনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সব কিছু, টিনের ঘরের চাল, বেড়া মেশিন সহ অনেক কিছুই। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা, এমনটি দাবি করেছেন মিলের মলিক শমসের আলী। প্রতিবেশী পানিয়া নরদাশ ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আ: ছালাম আ: জানান, ঘটনার পর পরই আমি জানতে পায় এবং ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নেভানোর কাজে সহায়তা করি আমরা গ্রামবাসীর প্রচেষ্ঠায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হই কিন্তু ততক্ষনে সব কিছু পুড়ে গেছে, গভীর রাত্রি হবার কারনে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া সম্ভব হয়নি।
তিনি আরো বলেন, এই ব্যবসা ছাড়া এই ব্যক্তির আর কিছুই নাই। তিনি একেবারে পথে বসে গেছেন। আমি এমপি মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। অগ্নিকান্ডের সংবাদ শুনে হাট গাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ, স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদ্যসদের সাথে দেখা করে সমবেদনা জানিয়েছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান জানান, আমি ঘটনাটি শুনেছি কিন্তু অফিসিয়াল কাজে ব্যস্ত থাকার কারনে সেখানে যেতে পারিনি তবে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি, যাতে করে তারা সরকারীভাবে ক্ষতিপুরন পায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা করা হয়নি।