স্টাফ রিপোর্টার : নগরীর যত্রতত্রই দেখা মেলে চলন্ত গাড়ির নিয়ম ভঙ্গের পাঁয়তারা। কখনোবা অতিরিক্ত মাল বোঝাই ট্রাক, কখনোবা ঢাকনাবিহীন বালু ও সুড়খি বোঝাই ট্রাক আবার কখনো কখনো নগরীর প্রধান প্রধান সড়কে দেখা মেলে লোহার রড কিংবা বাঁশের মতো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য নিয়ে উন্মুক্ত ভাবেই চলমান ট্রাকের চলমানতা। সর্বক্ষেত্রেই সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশেষ কিছু নিয়মনীতি মান্যতার কথা থাকলেও অধিকাংশরাই সেই নিয়মনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পন্ন করেন নির্ধারিত গন্তব্য স্থানে পৌছানোর পায়তারা।
গতানুগতিক ঝুঁকিপূর্ণ এই নিয়ম ভঙ্গের পায়তারা গতকালও লক্ষ্য করা গেল নগরীর উপকন্ঠ নওদাপাড়া আমচত্বরে। বিমানবন্দর সড়ক হয়ে নগরীর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল অতিরিক্ত বাঁশ বোঝাই একটি ট্রাক। বাঁশের অতিরিক্ত ভারে এমনিতেই ট্রাকটি ছিল নতজানু তো অন্যদিকে কোন প্রকার সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই উন্মুক্ত ভাবে ট্রাকে করে বহন করা হচ্ছিল কাঁচা বাঁশ। নিয়মানুযায়ী লোহার রড কিংবা বাঁশজাতীয় পণ্য বহনের সময় পণ্েযর পেছনের অংশগুলো মোটা কাপড় বা প্লাস্টিকের মোটা ত্রিপল দিয়ে উন্মুক্ত অংশগুলো ভাল করে বেধে দেয়া।
অন্যদিকে, বালু কিংবা ইটের শুড়কি উপরোক্ত দুই উপকরণ দিয়ে পরিপূর্ণভাবে ঢেকে দিয়ে রাস্তায় চলাচলরত অন্যান্যদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে বলেই নিয়মনীতি আছে। কিন্তু সক্ষমতার অতিরিক্ত যে কোনো পণ্য বহনের বিষয়টি মাঝেমধ্েযই লক্ষনীয় নগর সড়কগুলোতে। আবার নিয়মনীতি অমান্যতার একইচিত্রের দেখামেলে লোহার রড কিংবা বাঁশের ক্ষেত্রেও।
উভয় পন্থায় সড়কে চলাচলরত অন্নান্য বহন ও পথচারিদের আকস্মিক দূর্ঘটনার কবলে ফেলার জন্য মৃত্যকূপ হিসেবে চিহ্নিত বলে মন্তব্য নগরীর সচেতন নাগরিকদের। নগর ট্রাফিক বিভাগ ও সংশ্লিষ্টদের এই বিষয়ে আরো বেশি একটিভ হওয়া সময়ের দাবি বলে মন্তব্য পথচারীদের। সড়কে নির্বিঘ্ন ভাবে চলাচলের অধিকার রয়েছে সকলের বলে মন্তব্য আমচত্বর থেকে রেলগেটগামী আরিফুল, মাইনুলসহ আরো একাধিক ইজিবাইক যাত্রীর।