স্টাফ রিপোর্টার : ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু এমপি বলেছেন, শিক্ষানগরী রাজশাহীকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই নগর অত্যন্ত পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন। নগরের মানুষগুলো ভদ্র ও নম্র এবং শান্ত। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) এর উদ্যোগে রাজশাহী বিভাগে স্থাপিত ‘‘আইএসপিএবি-নিক্স আঞ্চলিক পপ” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, অনেক আগে থেকেই রাজশাহী মহানগরকে পরিকল্পিত হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এই শহরের ময়লা ধুলোবালিগুলো সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যেই পরিষ্কার করা হয়। বুঝতেই পারে না যে কখন এই মহানগর পরিষ্কার হয়ে যায়। এই নগরের মাটির নিচ দিয়ে পানির লাইন করা রয়েছে। যা হয়েছে সব কিছুই পরিকল্পিতভাবে। ভবিষ্যতে আরও সুন্দর এবং পরিচ্ছন্ন হবে। এই নগরে মানুষ নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে। যদিও কিছু কিছু সময় অন্যান্য নগরের মতন সমস্যা তৈরি হয়। তবে তারা অপরাধ করে পার পায়না তাদেরকে ধরে ফেলা হয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সবার সাথে থাকেন। সবার সাথেই তিনি মিশে থাকেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। আইএসপিএবি’র রাজশাহীর সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শফিউল আজম পারভেজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, ইন্টারনেট সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন। অনুষ্ঠানে আইএসপিএবি’র সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক সহ আইএসপিএবি‘র নেতৃবৃন্দ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, রাজশাহী বিভাগে নিক্স স্থাপনের ফলে এ অঞ্চলের ইন্টারনেট সেবার মান, গতি ও স্থিতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে ডাটা আদান-প্রদান সহজ হবে, লেটেন্সি কমবে এবং ব্যবহারকারীরা আরও দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা পাবেন। এটি স্থানীয় আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করবে এবং ব্যান্ডউইথ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করবে। নিক্স চালুর ফলে অনলাইন শিক্ষা, ফ্রিল্যান্সিং, ই-গভর্ন্যান্স, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ডিজিটাল সেবাখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর উন্নয়নে রাজশাহী বিভাগ আরও এগিয়ে যাবে।