রবিবার

৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান রাজশাহীর জলাবদ্ধতা রোধে এক্সাভেটর দ্বারা ড্রেনের কাদা অপসারণ তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী রাসিকের রাজস্ব কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে দোয়ার অনুষ্ঠান নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন রাসিক প্রশাসক মোহনপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ একমন ধান বিক্রি করে হচ্ছে না একজন শ্রমিকের মুজুরি মহান মে দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী নাচোলে রেলওয়ের গোডাউনের যায়গা লিজ নিয়ে মালামাল লুটের অভিযোগ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

আমদানি ব্যয়ের চাপে বেড়ে গেছে চলতি হিসাবে ঘাটতি

Paris
Update : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২

আমদানি ব্যয়ের চাপে বেড়ে গেছে দেশের চলতি হিসাবে ঘাটতির পরিমাণ। গত অর্থবছরের ১১ মাসে ওই ঘাটতি ১৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। দেশ থেকে রপ্তানি বাড়লেও আমদানির সঙ্গে পার্থক্য অনেক বেড়ে গেছে। ওই সময়ে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে। কারণ বিদ্যমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে দেশের রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। ফলে চলতি হিসাবে বড় অঙ্কের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে সামগ্রিক লেনদেনে ঘাটতি বেড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।-এফএনএস

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বিগত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) চলতি হিসাবে বাংলাদেশের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭২৩ কোটি ডলার। আর ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল মাত্র ২৭৮ কোটি ডলার। তার মানে ঘাটতি বেড়েছে ৬ গুণের বেশি। ২০২১-২২ অর্থবছরের ১১ মাসে আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৭ হাজার ৫৪০ কোটি ডলার। যা তার আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি। তবে ওই সময়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ। রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ৪ হাজার ৪৫৮ কোটি ডলার। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি হয়েছে ৩ হাজার ৮২ কোটি ডলার। ওই সময়ে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ১৬ শতাংশ। ১১ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৯১৯ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ২ হাজার ২৮৪ কোটি ডলার।

সূত্র জানায়, চলতি হিসাবে ঘাটতি থাকলেও আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত অনেক বেড়েছে। উদ্বৃত্তের পরিমাণ ১ হাজার ৩৩৫ কোটি ডলার। বৈদেশিক ঋণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি এর বড় কারণ। এ সময়ে নিট বিদেশি ঋণ এসেছে ৬৮০ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ৪২৩ কোটি ডলার ছিল। তাছাড়া ওই সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে ২০৫ কোটি ডলার, যা আগের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি। আর্থিক হিসাবের অবস্থা ভালো থাকলেও সার্বিক লেনদেনে ঘাটতি হয়েছে ৪৩০ কোটি ডলার। এর কারণ চলতি হিসাবে বড় ঘাটতি। ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে সার্বিক লেনদেনে ৮৫২ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত ছিল।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris