এফএনএস : বন্ধ হচ্ছে করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজের টিকা প্রদান। দেশে আগের মতোই করোনাভাইরাস টিকার প্রথম ডোজের কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আগের মতোই দেশে টিকার প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ এবং বুস্টার ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম চলবে। গতকাল শনিবার বিকালে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন (গণটিকা) পরবর্তী করণীয় বিষয়ক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, দেশে টিকার কোনও কমতি নেই। আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই, টিকার প্রথম দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ চলমান থাকবে।
সব ধরনের টিকার কার্যক্রম বজায় থাকবে। স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ভ্যাকসিন নিতে মানুষের বাধভাঙা উল্লাস দেখা যাচ্ছে। আমাদের ক্যাম্পেইন সফল। হেলথের বিভিন্ন পর্যায়ের এক লাখ কর্মকর্তা আন্তরিকভাবে কাজ করেছে। শতভাগ মানুষকে ভ্যাকসিন দিতে গণটিকা আরও দুদিন বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, সারাদেশে এক কোটি টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছি। যা শান্তিপূর্ণ ভাবে হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক লোক টিকাকেন্দ্রে উপস্থিত।
আমাদের ধারণার বাইরে বেশি লোক টিকা নিতে এসেছে। কোথাও কোন অভিযোগ পাইনি। আমাদের দেশের মানুষ টিকাবান্ধব। এক কোটি টিকা দেওয়ার টার্গেট নিয়েছি, তবে আমাদের ধারণা এক কোটি ছাড়িয়ে যাবে। মন্ত্রী বলেন, প্রথম ডোজের ক্যাম্পেইন আরও দুদিন চলবে। পর্যাপ্ত টিকা মজুত আছে। ফার্স্ট, সেকেন্ড ও বুস্টার ডোজ চলবে। তিনি বলেন, টিকা দেওয়ার সংখ্যার দিকে বাংলাদেশ পৃথিবীর দুইশ দেশের মধ্যে ১০ নম্বরে রয়েছে।
টিকাদানে আমাদের পেছনে আছে রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানির মতো বড় বড় দেশ। এ পর্যন্ত ১১ কোটি টিকা প্রথম ডোজ দিয়েছি। গতকাল শনিবার শেষে এর সংখ্যা দাড়িয়েছে ১২ কোটি। ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়ার ডব্লিউএইচও এর নির্দেশনা ছাড়িয়ে যাবে। এ ছাড়া আমাদের দেশের টার্গেটেড পপুলেশনের ৯৫ শতাংশ বেশি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।