স্টাফ রিপোর্টার, লালপুর : নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটরটি দীর্ঘদিন যাবত মেরামত না করায় ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এবং জনবল সংকটের কারণে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় অপারেশ, ডেলিভারি সেবা এবং টিকা সংরক্ষণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যা রোগীদের দূর্ভোগ বাড়চ্ছে। এছাড়া বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এ´ে-রে যন্ত্র বন্ধ হয়ে থাকছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। বিদ্যুৎ চলে গেলে দিনের আলোতেই অন্ধকার হয়ে পড়ছে পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকা। ফলে ভুতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভিড় জমে যাচ্ছে। সচেতন মনে করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি শক্তিশালী জেনারেটর সহ ৪র্থ শ্রেণীর জনবল নিয়োগ দেওয়া জরুরী প্রয়োজন। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যুৎ না থাকার কারনে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করতে আসা রোগীরা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে এ´ে-রে কক্ষের সামনে। এবিষয়ে উপজেলার কাজীপাড়া গ্রামের সোহেল রানা বলেন, এক্সে-রে করতে এসে বসে আছি। এবিষয়ে উপজেলার বিলশলীয়া গ্রামের সাইদুর রহমান বলেন,আমার হাত ভেঙ্গে গেছে। হাসপাতালে এসে দেখছি বিদ্যুৎ নেই এজন্য এখনো এক্সে-রে করতে পারিনি। এবিষয়ে উপজেলা ভাটপাড়া গ্রামের আলিয়া বলেন,আল্ট্রাসনোগ্রাফি করতে এসেছি। বিদ্যুৎ নেই এজন্য অপেক্ষা করছি। উপজেলার মোহরকয়া গ্রামের আয়েশা খাতুন বলেন, এক্সে-রে করার জন্য এসেছি। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মুনজুর রহমান বলেন, জনবল সংকটের কারণে দীর্ঘদিন যাবত জেনারেটর টি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এতে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন চিকিৎসা সেবা চিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে জেনারেটরে সহ জনবলের জন্য চাহিদা চেয়ে অফিসে জানিয়েছি।