রবিবার

৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান রাজশাহীর জলাবদ্ধতা রোধে এক্সাভেটর দ্বারা ড্রেনের কাদা অপসারণ তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী রাসিকের রাজস্ব কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে দোয়ার অনুষ্ঠান নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন রাসিক প্রশাসক মোহনপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ একমন ধান বিক্রি করে হচ্ছে না একজন শ্রমিকের মুজুরি মহান মে দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী নাচোলে রেলওয়ের গোডাউনের যায়গা লিজ নিয়ে মালামাল লুটের অভিযোগ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

কানাডার অর্থনীতি হুমকির মুখে

Paris
Update : শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

এফএনএস : কানাডায় কোভিড বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে হুমকির মুখে দেশটির অর্থনীতি। এ অবস্থায় আবারও বিক্ষোভ বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। একই দাবিতে ফ্রান্সে ‘ফ্রিডম কনভয়’ ব্যানারে বিক্ষোভে অংশ নেন কয়েকশ নাগরিক। এ অবস্থায় করোনা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় সব ধরনের মিছিল-সমাবেশ আগামী সোমবার পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। কানাডায় ট্রাকচালকদের করোনার বিধিনিষেধবিরোধী বিক্ষোভ থামছেই না।

গতকাল শুক্রবারও বিক্ষোভকারীরা অটোয়ার রাস্তা আটকে রাখলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দাবি না-মানা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিবাদকারীরা। তারা বলছেন, টিকা গ্রহণ নিয়ে জোর করার কিছু নেই। মানুষ টিকার গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত। প্রশাসনের উচিত এর বিকল্প বের করা। এদিকে, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে ট্রাকচালকদের বিক্ষোভের কারণে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিতে পড়েছে দেশটির গাড়িশিল্প ও কৃষি খাত। এমনকি পণ্য উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে মার্কিন গাড়িনির্মাতা কোম্পানি জেনারেল মোটরসের।

যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের অ্যাম্বাসেডর নামের গুরুত্বপূর্ণ সেতু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মারাত্মক হুমকিতে কানাডার অর্থনীতি। কারণ, সেতুটি দিয়ে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের ২৫ শতাংশ পণ্য পরিবহন হয়ে থাকে।এ অবস্থায় আবারও বিক্ষোভ বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাস্টিন ট্রুডো। তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারি নিয়ে সবাই হাঁপিয়ে উঠেছে-এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু কানাডার নাগরিকদের বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য কিংবা গবেষণার ওপর ভরসা রাখা উচিত। তাই দ্রুত বিক্ষোভ বন্ধ করা উচিত। এখানে ৬১ ভাগ মানুষ প্রথম ডোজের আওতায় এসেছে, আমরা চাই শতভাগ নিশ্চিত হোক।’

করোনার বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে ‘ফ্রিডম কনভয়’ ব্যানারে ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় নিরত শহরে বিক্ষোভে অংশ নেন কয়েকশ মানুষ। তাদের দাবি, সরকার অযথাই নাগরিকদের স্বাধীনতা লঙ্ঘন করছে। এ অবস্থায় করোনার বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে সব ধরনের কর্মসূচি আগামী সোমবার পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী। একই দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেও।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris