এফএনএস : দুই দফায় ক্যাচ দিয়েও রক্ষা পান মুমিনুল হক। আরও কয়েক দফায় বেঁচে যান অল্পের জন্য। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। বাংলাদেশ অধিনায়কের লড়াই শেষ হলো ৭০ রানে। দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান বিদায় নেন তো আরও আগেই। সব মিলিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ। হারারে টেস্টের প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশনে পানি পানের বিরতিতে বাংলাদেশের রান ৬ উইকেটে ১৩২। অর্ধেকের বেশি রান একাই করেন মুমিনুল।
৯২ বলে তার ৭০ রানের ইনিংসে বাউন্ডারি ১৩টি। লাঞ্চের আগে তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেশনের প্রথম ঘণ্টায় হারায় আরও তিন উইকেট। প্রথম সেশনে ব্লেসিং মুজারাবানি মাত্র ৫ ওভার করে আর বোলিং না করায় স্বস্তি পেয়েছিল বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর তিনিই আবার ছোবল দেন প্রথম। তার ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি ছেড়ে দিয়ে এলবিডব্লিউ হন মুশফিকুর রহিম (১১)। যদিও বল স্টাম্পের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছিল বলে মনে হয়েছে টিভি রিপ্লে দেখে।
তবে বল না বুঝে ছেড়ে দেওয়ার দায়ও তাকে নিতে হবে। এই টেস্টে নেই রিভিউ। সেই ধাক্কা সামাল দেওয়ার আগেই আরেকটি বড় ধাক্কা। এই ম্যাচ দিয়েই টেস্টে ফেরা সাকিব টিকতেই পারলেন না। ভিক্টর নিয়াউচির অনেক বাইরের বল দৃষ্টিকটুভাবে তাড়া করে ২ রানে তিনি ক্যাচ দিলেন উইকেটের পেছনে। মুজারাবানির ওভারে দুই বাউন্ডারিতে মুমিনুল ফিফটি স্পর্শ করেন ৬৪ বলে।
আউট হতে পারতেন এরপরই। ওই ওভারেই সহজ ক্যাচ তুলে দেন তিনি মিড অনে। কিন্তু ফিল্ডার রিচার্ড এনগারাভা বুঝেই উঠতে পারেননি। তাই নিতে পারেননি ক্যাচ। একটু পর মুজারাবানি নিজের বলেই ছাড়েন মুমিনুলের ক্যাচ। ৫২ ও ৬০ রানে বেঁচে গিয়ে মুমিনুল শেষ পর্যন্ত থামেন ৭০ রানে। নিয়াউচির বাইরের বল কাট করে ক্যাচ দেন তিনি পয়েন্টে। বাংলাদেশের বিপদ তাতে ঘনীভূত হয় আরও।