এফএনএস : করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণকারীদের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। গতকাল সোমবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সভাশেষে উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন তিনি। টিকাদানের বয়সসীমা নিয়ে নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, টিকা গ্রহণকারীদের বয়সসীমা এখন ৪০ বছর।
আমরা এই বয়সসীমা পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনার চিন্তা করছি। মন্ত্রণালয়কে বয়সসীমা ৩৫ বছর করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এটা কমানো হলে বেশি মানুষ টিকার আওতায় আসবে বলে জানান তিনি। এপ্রিলের পর দেশে ভাইরাসের ভারতীয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক সংক্রমণ শুরু হয়। এরপর থেকে দেশে করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনভাবে বেড়েই চলেছে।
আইইডিসিআর জিনোম সিকোয়েন্সিং করে জানিয়েছে, মে মাসে এ ধরন ৪৫ শতাংশ এবং জুন মাসে ৭৮ শতাংশ নমুনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের আলফা ভ্যারিয়েন্ট, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিটা ভ্যারিয়েন্ট, ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, নাইজেরিয়ার ইটা ভ্যারিয়েন্ট এবং বি১.১.৬১৮ (অজ্ঞাত) একটি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত রোগীদের ৫০ শতাংশের বেশি গ্রামের বলে জানান খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, এসব রোগী রোগের তীব্রতা অনেক বেশি হওয়ার পর হাসপাতালে আসছেন। তিনি বলেন, এখন বর্ষার মৌসুম।
অনেকেই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হলেও সাধারণ সর্দি-জ¦র বা কাশিতে আক্রান্ত বলে ধরে নিচ্ছেন। পরীক্ষা করাচ্ছেন না বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের গ্রামে গ্রামে মাইকিং করার পরামর্শ দিয়েছি। বাড়ি বাড়ি রোগীর খোঁজ রাখতে বলেছি।