রবিবার

৩রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ৮ দেশের ১৬ মার্কিন স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান রাজশাহীর জলাবদ্ধতা রোধে এক্সাভেটর দ্বারা ড্রেনের কাদা অপসারণ তোমরা প্রত্যেকেই দেশের অ্যাম্বাসেডর : প্রধানমন্ত্রী রাসিকের রাজস্ব কর্মকর্তার নিজ বাসভবনে দোয়ার অনুষ্ঠান নগরীর বাইতুল মামুর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫ লাখ টাকার অনুদান দিলেন রাসিক প্রশাসক মোহনপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ একমন ধান বিক্রি করে হচ্ছে না একজন শ্রমিকের মুজুরি মহান মে দিবস উপলক্ষে রাসিক প্রশাসকের বাণী নাচোলে রেলওয়ের গোডাউনের যায়গা লিজ নিয়ে মালামাল লুটের অভিযোগ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

করোনার মহামারীতেও বেড়েছে নিট বিদেশী বিনিয়োগ পরিমাণ

Paris
Update : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১

এফএনএস : করোনা মহামারীতেও দেশে বেড়েছে বিদেশী বিনিয়োগ। ওই বিনিয়োগের পরিমাণ চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.১২ শতাংশ বেড়ে ১.৪৬ বিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে।

বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো লভ্যাংশ বাবদ যে অর্থ নিয়ে যায়, মোট বিদেশী বিনিয়োগ থেকে তা বাদ দিলে নিট বিনিয়োগ পাওয়া যায়। জুলাই-এপ্রিল সময়ে মোট (গ্রস) বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ২.৯৯৫ বিলিয়ন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৮৫ শতাংশ বেশি। অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চলতি অর্থবছরের বিগত ১০ মাসে আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৯ শতাংশ বেড়ে ১৯৩ মিলিয়ন ডলার হয়েছে। একই সময়ে আমদানির পরিমাণ বেড়েছে ১৩ শতাংশ। তার প্রভাবে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ১৭.২২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

যার প্রভাবে জুলাই-মার্চ সময়ে উদ্বৃত্ত থাকা কারেন্ট এ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স জুলাই-এপ্রিলে এসে ৪৭ মিলিয়ন ডলারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। যদিও গত অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে কারেন্ট এ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সের ওই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩.৭৭ বিলিয়ন ডলার। আর জুলাই-এপ্রিল সময়ের আমদানির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চাল আমদানিতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় বেড়েছে। তারপরই রয়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল, মরিচ, সয়াবিন, ডাল, ওষুধ তৈরি উপকরণ, রাসায়নিক ক্লিংকার ইত্যাদি আমদানির ব্যয়।

সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে কয়েকটি খাতে ভ্যাট অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। কিছু খাতে ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তাছাড়া শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানির শুল্ক কমানো হয়েছে। কিছু খাতে কমানো হয়েছে আগাম করও। একইসঙ্গে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়াতে বন্দর, সড়ক ব্যবস্থার যোগাযোগ উন্নয়ন করা হয়েছে। গ্যাস, বিদ্যুৎসহ ইউলিটি ব্যাপক উন্নতি করা হয়েছে। তাছাড়া সরকার বিনিয়োগের গতি বাড়াতে ওয়ানস্টপ সার্ভিস দিচ্ছে।

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত ব্যালেন্স অব পেমেন্ট (বিওপি) সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতেবেদনের তথ্যানুযায়ী চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) বিনিয়োগর পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.১২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪৬ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে নিট বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর জানান, মিয়ানমারে বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ বাংলাদেশের চেয়ে ৫ গুণ বেশি। তবে ওই দেশটিতে সামারিক শাসন শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে সেখান থেকে কিছু বিদেশী বিনিয়োগ বাংলাদেশে এসে থাকতে পারে।

আর করোনা মোকাবেলা করে এদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কারণে আমদানি বাড়ছে বিষয়টি তা নয়। বরং বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ও সয়াবিনের দাম ৫০ শতাংশ বেড়েছে। যার প্রভাবে আমদানির ব্যয়ও বেশি দেখাচ্ছে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris