বুধবার

১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী লিবিয়ায় অপহৃত মান্দার আলমগীরের মৃত্যু, আড়াই মাস পর মরদেহ শনাক্ত রাজশাহীতে ক্লুলেস দস্যুতা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, বিএনপি নেতাসহ ২ জন গ্রেপ্তার পুশইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি বিএমডিএ’র ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা নতুন সরকারের অধিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ডেঙ্গমুক্ত রাজশাহী নগরী গড়তে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে : রিটন রাজশাহীতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ঘুঘুর বাচ্চা আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক কিশোর দেশের ৬৫ শতাংশ গ্রাহক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বাইরে থাকছেন : তথ্যমন্ত্রী

বাঘায় কালবৈশাখী ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষতি

Paris
Update : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা : রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় চলতি মৌসুমে অন্য বছরের তুলনায় আমের উৎপাদন কিছুটা কম। তার উপর কালবৈশাখীর ঝড়ে এই অঞ্চলের প্রধান অর্থকারি ফসল আমের ২৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে যারা বাগান চুক্তি অগ্রীম আম ক্রয় করেছেন তাঁরা চরম হতাশায় পড়েছেন।

জানা যায়, উপজেলা ৮ হাজার ৩৬৮ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। চলতি মৌসুমে বাগানে উৎপাদন ধরা হয়েছে হেক্টর প্রতি ৬-৭ মেট্রিক টন। তারপর আবার বুধবার রাত সাড়ে ৭ টার দিকে কালবৈশাখী তান্ডবে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই আম প্রতিকেজি ২-৩ টাকা দরে ক্রয় করে ট্রাক যোগে ঢকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি অফিস দাবি করছেন, বুধবার রাতে ঝড়ে ১ শতাংশ আম ঝড়ে গেছে। এদিকে ৫ শতাংশের হিসেব করে আনুমানিক প্রায় ২৫ কোটি টাকার আম ঝরে গেছে বলে চাষিরা দাবি করেন। রাজশাহীকে আমের জন্য বিক্ষাত বলা হলেও মূলত: বাঘা ও চারঘাট উপজেলাকে আম প্রধান অঞ্চল বলা হয়। উপজেলায় খাদ্য শস্যের পাশাপাশি অর্থকরী ফসল হিসেবে বর্তমানে আমই প্রধান।

এই আম রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঘার আমের সু-খ্যাতি সবচেয়ে বেশি। এ বিষয়ে উপজেলার মনিগ্রামের আম চাষি জিল্লুর রহমান বলেন, লিজ নিয়ে যে আমের চাষ করেছি। এতে যে পরিমান আম পড়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমার বাগানে প্রায় ৫ শতাংশের মতো আম ঝড়ে গেছে।

তবে এই আম প্রতিকেজি ২-৩ টাকা দরে ক্রয় করে ট্রাক যোগে ঢকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, আম এক বছর ভাল আম হলে, অন্য বছর কম হয়। তারপরও পরপর দুই বছর প্রচুর পরিমান আম হওয়ায় অন্য বছরের তুলনায় এবার কম হয়েছে। তবে এরপর দূর্যোগ আর না হলে ক্ষতি অনেকটা পুসে যাবে।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris