সর্বশেষ সংবাদ
দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন করবো : প্রধানমন্ত্রী মহাদেবপুরে শয়নকক্ষ থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক সাফারি পার্কে রূপান্তর করা হবে : প্রতিমন্ত্রী টুকু রাজশাহীতে আকিজ প্লাম্বিং পাইপের ফুঁ বল চ্যাম্পিয়নশীপের খেলা সম্পন্ন রাজশাহী সেনানিবাসে স্টেশন কমান্ডার-এর সাথে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ আরডিএ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শহীদ জিয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে প্রদ্ধাঞ্জলী বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আম বাজারে ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার চিকিৎসকদের পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হয়ে ওঠাও জরুরি : প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত ও ‘অ্যাগ্রো-বেজড’ ইপিজেড স্থাপন করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

আরো ৭ দিনের রিমান্ডে রফিকুল

Paris
Update : শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১

এফএনএস : রাজধানীর মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের ভার্চুয়াল আদালতে তার দশ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। এ সময় রফিকুল ইসলাম কারাগারে ছিলেন। তাকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থিত দেখানো হয়। এরপর আদালত এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তার ১০ দিনের রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষ বিচারক সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে ১৫ এপ্রিল রফিকুল ইসলামের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন গাজীপুরের আদালত। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে র‌্যাবের করা মামলায় তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে গাজীপুর আদালতে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এছাড়া গত বুধবার সকালে বিস্ফোরক মামলায় রফিকুল ইসলামের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবদুল হাই।

গত বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমানের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে রাজধানীতে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় রফিকুল ইসলামের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ২৫ মার্চ মোদিবিরোধী মিছিলে সংঘর্ষের ঘটনার সময় পুলিশ তাকে আটক করে। এর কিছুক্ষণ পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এরপর গত ৮ এপ্রিল নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে আটকের পর গাছা থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একই আইনে গাজীপুরের বাসন থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। এছাড়া ৮ এপ্রিল রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মো. আদনান শান্তু নামে একজন বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris