মঙ্গলবার

২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
প্রবাসীর রেমিট্যান্স দেশের অন্যতম আয় হলেও জনশক্তি রপ্তানিতে ধস রাজশাহী থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামে পশু নিতে পথে পথে দিতে হচ্ছে চাঁদা ভুয়া দলিলে অতিরিক্ত সম্পত্তি নামজারী মামলায় দলিল লেখক-শিক্ষক কারাগারে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেলেন রাসিকের ১২৩৭ পরিচ্ছন্নতাকর্মী টাঙ্গাইলে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহতদের ১০ জন মান্দার, পরিবারে শোকের মাতম রাসিকের পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের চেক হিসাব বিভাগে হস্তান্তর রাজশাহী বিসিক-১ বিসিক-২ এর অচলবস্থা কাটিয়ে উঠতে উদ্যোগ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে আত্মশুদ্ধির নতুন অধ্যায় চামড়া সিন্ডিকেট-কোরবানীর পশু নিয়ে চাঁদাবাজি দেখতে চাই না : এমপি মিলন রামিসা হত্যার বিচার হবে এক মাসের মধ্যে, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ভুয়া দলিলে অতিরিক্ত সম্পত্তি নামজারী মামলায় দলিল লেখক-শিক্ষক কারাগারে

Paris
Update : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

আলিফ হোসেন : রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী নওগাঁর মান্দায় ভুয়া দলিলে অতিরিক্ত সম্পত্তি নামজারী মামলায় দলিল লেখক ও শিক্ষক কারাগারে। দলিল লেখকের লাইসেন্স (সনদ) বাতিল চেয়ে আইজিআর-এর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়রা জানান, মান্দায় ভুয়া দলিল তৈরি করে প্রাপ্যতার চেয়ে বেশি সম্পত্তি নামজারী (খতিয়ান) করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় আদালতে জামিন চাইতে এসে কারাগারে গেলেন এক দলিল লেখক ও এক শিক্ষক। গত শনিবার দুপুর নওগাঁ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও আমলী আদালত-২ এর বিচারক সালমান আহমেদ শুভ’র আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলাটি জিআর-১২৮/২৬ (মান্দা) নম্বরে দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার দ্বারিয়াপুর (বুড়িদহ) গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেন মন্ডলের পুত্র ও ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট মাহ্ফুজুর রহমান বাদী হয়ে দলিল লেখক সুরজিৎসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
কারাগারে পাঠানো দুই আসামি হলেন মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সুরজিৎ কুমার দাস (সনদ নম্বর-১৫৯) এবং নুরুল্লাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দাস। তাদের বাড়ি উপজেলার শামুকখোল গ্রামে।নওগাঁ কোর্ট ইন্সপেক্টর আনিছুর রহমান দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৬মে ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট মাহ্ফুজুর রহমান অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। পরে মান্দা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, ৯০২/১৩-১৪ নম্বর খারিজ কেসের মাধ্যমে সুরজিৎ কুমার দাস, তার ভাই সুশান্ত কুমার দাস ও সুভাষ চন্দ্র দাসের নামে প্রস্তাবিত ৩৪৫ নম্বর খতিয়ান খোলা হয়েছে।
পরে ওই খতিয়ান সংগ্রহ করে তিনি দেখতে পান, একাধিক দলিলের ধারাবাহিকতা দেখিয়ে অতিরিক্ত সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি প্রসাদপুর-কাঁশোপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি আংশিক বাতিলের আবেদন করেন। তদন্ত শেষে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা নামজারি আংশিক সংশোধনের সুপারিশ করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠান।বাদীর অভিযোগ, প্রসাদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, কয়েকটি দলিলের দাতা, সম্পত্তির তপশীল ও তথ্যের সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই এবং কিছু দলিল সম্পূর্ণ ভূয়া। এছাড়া অভিযুক্তরা যোগসাজশে জাল দলিল তৈরি করে সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে সচেতন মহলের দাবি যে দলিল লেখক এতোবড় জালিয়াতি করতে পারে তার দলিল লেখক লাইসেন্স (সনদ) বাতিল করা উচিৎ। তা না হলে সে আবারো এমন অপকর্মের আশ্রয় নিবেন।তাই তার লাইসেন্স বাতিল সময়ের দাবি। এবিষয়ে জানতে চাইলে দলিল লেখক সুরজিৎ কুমার দাস ও সহকারী শিক্ষক সঞ্জয় কুমার দাস তারা উভয়েই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা ষড়যন্ত্রের শিকার।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris