সর্বশেষ সংবাদ
সাপাহারে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ উদ্বোধন বর্ষায় দেখা নেই বৃষ্টির, হচ্ছে না জমি চাষ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সুশাসন দাবিতে রাজশাহীতে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল আওয়ামী লীগ আর বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত জুলাই শহীদের স্বজনেরা আরো শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, সতর্কতা জাতিসংঘ’র জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা পদ্মা নদী রক্ষায় রাজশাহীতে ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার : এমপি মিলন

৬ পর্যন্ত ‘ক্ষমতায় থাকার’ আইন পুতিনের

Paris
Update : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১

এফএনএস : রাশিয়ায় প্রেসিডেন্টে ভøাদিমির পুতিন একটি আইনে স্বাক্ষর করেছেন যেটি তাকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার সুযোগ করে দিতে পারে। সোমবার দেশটির সরকার প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সংক্রান্ত এ আইনে পুতিনের স্বাক্ষর করার কথা জানিয়েছে বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের। এ আইনের বলে পুতিন ২০২৪ সালে চলতি মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর নির্বাচনের মাধ্যমে আরও দুইদফা প্রেসিডেন্ট পদে থাকার সুযোগ পাবেন। তেমনটা হলে তিনি এক মেয়াদে ছয় বছর করে দুই মেয়াদে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্রেমলিনের শীর্ষ পদে থাকতে পারবেন।

গত বছর গণভোটে রুশ জনগণ রাশিয়ায় সংবিধান পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছিল। সেই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় এ নতুন আইনে স্বাক্ষর করলেন পুতিন। দেশটিতে এখন প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ছয় বছর। কার্যকর হওয়া নতুন আইন অনুযায়ী, দেশটিতে কেউই আর দুই মেয়াদের বেশি প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে পারবেন না। পুতিন এর আগেও তিন দফা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন। আগের আইনে এক প্রেসিডেন্ট টানা দুই মেয়াদের বেশি পদে থাকতে পারতেন না।

প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সংক্রান্ত নতুন এ বিলটি গত মাসে রাশিয়ার পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে পাস হয়েছিল।পুতিনের বর্তমান মেয়াদ নতুন আইনটির আওতায় পড়বে না। সেক্ষেত্রে ৬৮ বছর বয়সী এ প্রেসিডেন্ট ২০২৪ সালের পর আরও দুটি মেয়াদ ক্রেমলিনের শীর্ষ পদে থাকতে পারবেন। তবে তিনি এ সুযোগ কাজে লাগাবেন কিনা, সে সম্বন্ধে তার দিক থেকে কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ২০৩৬ সালে সাবেক এ কেজিবি কর্মকর্তার বয়স ৮৩ বছর হবে।

রাশিয়ার জনগণ গত বছর সংবিধানে যেসব পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তাতে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ সংক্রান্ত বিষয় ছাড়াও পেনশন সুরক্ষা জোরদারের মতো কল্যাণমূলক অনেক কিছুই ছিল। জনসমর্থন আদায়ের লক্ষ্যেই পুতিন এ সবকিছুকে একটি প্যাকেজের আওতায় গণভোটে হাজির করেছিলেন বলে ভাষ্য সমালোচকদের। সংবিধান পরিবর্তনের গণভোটকে তাদের অনেকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ বলেও অভিহিত করেছেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris