এফএনএস : ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক টম লাথামের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো নিউজিল্যান্ড। গতকাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে লাথামের অপরাজিত ১১০ রানের সুবাদে নিউজিল্যান্ড ৫ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশকে। এ মাধ্যমে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি ২-০ ব্যবধানে এগিয়েও গেল নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপ সুপার লিগে এটি ছিলো নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় ম্যাচ। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ৮ উইকেটে জিতে সুপার লিগে পয়েন্টের খাতা খুলেছিলো কিউইরা। ফলে সিরিজে দুই ম্যাচ জয়ে এখন ২০ পয়েন্ট নিউজিল্যান্ডের। আর নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে দ্বিতীয় হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ।
তারপরও বাংলাদেশের সংগ্রহে আছে ৩০ পয়েন্ট। কারণ আগের সিরিজের তিন ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিলো টাইগাররা। ক্রাইস্টচার্চে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার লিটন দাসকে হারায় বাংলাদেশ। ৪ বল খেলে কোন রান না করেই নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরির বলে আউট হন লিটন। শুরুর ধাক্কাটা দারুনভাবে সামলে উঠেন আরেক ওপেনার অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও তিন নম্বরে নামা সৌম্য সরকার। দু’জনের সাহসী ব্যাটিংএ বাংলাদেশের ভিত শক্ত হচ্ছিলো। ২০ ওভার শেষে ৮৪ রান তোলে তামিম-সৌম্য। তবে পরের ওভারে ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ৯০ মিনিট উইকেটে থেকে সেট হবার পর নিজের ভুলেই আউট হন সৌম্য।
নিউজিল্যান্ডের স্পিনার স্যান্টনারকে উইকেট ছেড়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পড হন সৌম্য। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৬ বল খেলে ৩২ রান করেন তিনি। তামিমের সাথে দ্বিতীয় উইকেটে ১১৬ বলে ৮১ রান যোগ করেন সৌম্য। এরপর মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গী করে ৮৪তম বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫০তম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তামিম। হাফ-সেঞ্চুরির করার পথে দু’বার জীবন পান তামিম। প্রথমে ট্রেন্ট বোল্টের বলে কট বিহাইন্ড আউট হন তামিম। কিন্তু রিভিউ নিয়ে নিজের উইকেট বাঁচান তিনি।
পরে কাইল জেমিসনের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে আবারো জীবন পান তামিম। তবে হাফ-সেঞ্চুরির পর রানের গতি বাড়িয়েছেন তিনি। নিজের ইনিংসও বড় করছিলেন তিনি। কিন্তু ইনিংসের ৩১তম ওভারের নিশামের ফুটবল স্কিলে আউট হন তামিম। স্ট্রাইকে ছিলেন মুশফিক। সাবধনাতার সাথেই খেলেছিলেন তিনি। তবে রান নেয়ার জন্য দৌঁড় শুরু করেন তামিম। বল তখন পপিং ক্রিজেই ছিলো। দুই ব্যাটসম্যানের দৌঁড় দেখে রান আটকাতে বলের দিকে ছুটে যান নিশাম।