২৫ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
ফুটপাত দখলমুক্তর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ রাসিকেরভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের পাকাধান কাটার জরুরি আহ্বানচাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই মামলা নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে : আইজিপিবাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে : এমপি মিলনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকলোকসান-সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

বিলুপ্তির পথে রাজশাহীর বেত শিল্প

প্রকাশিত: ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ৯:২৭ অপরাহ্ণ | বিভাগ: স্পেশাল নিউজ
বিলুপ্তির পথে রাজশাহীর বেত শিল্প
বিজ্ঞাপন

আল সাকিব হোসেন : ‎রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বেত শিল্প একসময় ছিল এই অঞ্চলের গর্ব ও জীবিকার অন্যতম উৎস। তা এখন বিলুপ্তির পথে। যে বেত পট্টিতে বার থেকে পনেরটি দোকান ছিলো সেখানে এখন মাত্র তিনটি দোকান টিকে আছে। দোকানিরা সবাই পেশা পরিবর্তন করে নিয়েছে অনেক আগেই। এখন যারা ব্যাবসা করছেন তারাও হয়ত বেশিদিন ধরে রাখতে পারবেন না।
শহরের অলিগলিতে গড়ে উঠেছিল বেতের চেয়ার, দোলনা, মোড়া ও সোফার অসংখ্য দোকান। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র বদলেছে। কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ আর প্লাস্টিক পণ্যের সহজলভ্যতায় রাজশাহীর বেত শিল্প আজ হারাতে বসেছে তার পুরোনো জৌলুশ। দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিস থেকে বেতের আসবাব এখন সীমিত হয়ে পড়েছে সৌখিন মানুষের অর্ডারেই।
‎দোকানিরা জানান, এখন একটা চেয়ার,দোলনা, মোড়া,টুল, সোফা বা আয়না বানালে তার দাম ও অনেক বেশি হয়। আর এত দাম দিয়ে সাধারণ মানুষরা এগুলা কিনতে চায় না। এগুলো এখন সৌখিনতা। অনেক সৌখিন মানুষ রা এগুলো অর্ডার দিয়ে বানিয়ে নিয়ে যায়।কেননা একটা বেতের সোফা ক্ষেত্র বিশেষে পনের থেকে বিশ হাজার ও হয়ে থাকে।
মো: মমিনুল ইসলম মাখন জানান, আমি এই দোকানে ১৯৯৮ সাল থেকে আছি তখন বেচাকেনা অনেক বেশি ছিলো। এই বেত পট্টিতেই অনেক গুলো দোকান ছিলো। আস্তে আস্তে প্লাস্টিক এর পণ্য সহজলভ্য হওয়া শুরু করাতে বেতের তৈরি এসব জিনিসের কদর কমতে থাকে। ফলে ব্যাবসা হারিয়ে দোকান মালিক রা অন্য পেশায় ঝুকে যায়। তবে এর পরিবেশবান্ধব দিক ও ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক ডিজাইন ও পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখার সম্ভাবনা আছে। যদিও এখন বিক্রি ও সামগ্রিক অবস্থা আগের মতো নেই।বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্য আর ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক ডিজাইন ও পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে এই শিল্পকে আবারও টিকিয়ে রাখা সম্ভব। ‎উদ্যোগ আর পৃষ্ঠপোষকতা পেলে রাজশাহীর বেত শিল্প হয়তো আবারও ফিরে পেতে পারে তার হারানো গৌরব।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন