সর্বশেষ সংবাদ
সাপাহারে প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ উদ্বোধন বর্ষায় দেখা নেই বৃষ্টির, হচ্ছে না জমি চাষ ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সুশাসন দাবিতে রাজশাহীতে ১১ দলের বিক্ষোভ মিছিল আওয়ামী লীগ আর বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত জুলাই শহীদের স্বজনেরা আরো শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, সতর্কতা জাতিসংঘ’র জুলাই-আগস্টে দেশে বন্যার শঙ্কা পদ্মা নদী রক্ষায় রাজশাহীতে ‘রান ফর পদ্মা’ মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার : এমপি মিলন

বিলুপ্তির পথে রাজশাহীর বেত শিল্প

Paris
Update : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

আল সাকিব হোসেন : ‎রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী বেত শিল্প একসময় ছিল এই অঞ্চলের গর্ব ও জীবিকার অন্যতম উৎস। তা এখন বিলুপ্তির পথে। যে বেত পট্টিতে বার থেকে পনেরটি দোকান ছিলো সেখানে এখন মাত্র তিনটি দোকান টিকে আছে। দোকানিরা সবাই পেশা পরিবর্তন করে নিয়েছে অনেক আগেই। এখন যারা ব্যাবসা করছেন তারাও হয়ত বেশিদিন ধরে রাখতে পারবেন না।
শহরের অলিগলিতে গড়ে উঠেছিল বেতের চেয়ার, দোলনা, মোড়া ও সোফার অসংখ্য দোকান। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র বদলেছে। কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন খরচ আর প্লাস্টিক পণ্যের সহজলভ্যতায় রাজশাহীর বেত শিল্প আজ হারাতে বসেছে তার পুরোনো জৌলুশ। দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিস থেকে বেতের আসবাব এখন সীমিত হয়ে পড়েছে সৌখিন মানুষের অর্ডারেই।
‎দোকানিরা জানান, এখন একটা চেয়ার,দোলনা, মোড়া,টুল, সোফা বা আয়না বানালে তার দাম ও অনেক বেশি হয়। আর এত দাম দিয়ে সাধারণ মানুষরা এগুলা কিনতে চায় না। এগুলো এখন সৌখিনতা। অনেক সৌখিন মানুষ রা এগুলো অর্ডার দিয়ে বানিয়ে নিয়ে যায়।কেননা একটা বেতের সোফা ক্ষেত্র বিশেষে পনের থেকে বিশ হাজার ও হয়ে থাকে।
মো: মমিনুল ইসলম মাখন জানান, আমি এই দোকানে ১৯৯৮ সাল থেকে আছি তখন বেচাকেনা অনেক বেশি ছিলো। এই বেত পট্টিতেই অনেক গুলো দোকান ছিলো। আস্তে আস্তে প্লাস্টিক এর পণ্য সহজলভ্য হওয়া শুরু করাতে বেতের তৈরি এসব জিনিসের কদর কমতে থাকে। ফলে ব্যাবসা হারিয়ে দোকান মালিক রা অন্য পেশায় ঝুকে যায়। তবে এর পরিবেশবান্ধব দিক ও ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক ডিজাইন ও পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখার সম্ভাবনা আছে। যদিও এখন বিক্রি ও সামগ্রিক অবস্থা আগের মতো নেই।বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্য আর ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক ডিজাইন ও পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে এই শিল্পকে আবারও টিকিয়ে রাখা সম্ভব। ‎উদ্যোগ আর পৃষ্ঠপোষকতা পেলে রাজশাহীর বেত শিল্প হয়তো আবারও ফিরে পেতে পারে তার হারানো গৌরব।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris