শনিবার

১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ সংবাদ
হাজার কোটি টাকার টার্গেট নিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু রাজশাহীতে অটোরিক্সা চালক হত্যায় চার জন গ্রেপ্তার, অটোরিক্সা উদ্ধার রাজশাহীতে হোটেলের ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় ‘চাঁদাবাজ’ হিসাবে অপপ্রচারের অভিযোগ নওগাঁয় অনলাইন জুয়ার মূল হোতাসহ ১৫ জন গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রী শুধু স্বপ্ন দেখাচ্ছেন না, স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করেও দেখাচ্ছেন : রাসিক প্রশাসক বন্ধ চিনিকলগুলোতে আশার আলো মোস্তফার ভরসা বুকে বাঁধা বেয়ারিং গাড়ি রাজশাহীকে পরিকল্পিত মহানগর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে: ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীর লিচুতে ৬০ কোটি টাকা বাণিজ্য হওয়ার সম্ভাবনা অবশেষে জেল ফটকে অপেক্ষারত তিন শিশু ফিরে পেল মায়ের কোল

বাগমারায় পিতার চক্ষু হাসপাতালে ভুয়া ডাক্তার ছেলে, জেল-জরিমানা

Paris
Update : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাগমারা প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা পরিষদ ভবনের পাশেই গড়ে উঠেছিল ‘আল-মক্কা মদিনা চক্ষু হাসপাতাল’ নামের একটি সম্পূর্ণ ভুয়া চিকিৎসা কেন্দ্র। কোনো যোগ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ ছাড়াই, হাসপাতাল মালিকের ছেলে নিজেকে ডাক্তার সাজিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রোগী দেখে আসছিলেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে হাসপাতালটি বন্ধ করে দিয়েছে এবং মালিক ও তার ছেলেকে দণ্ড প্রদান করেছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল ইসলাম। তিনি জানান, হাসপাতালে কোনো অপারেশন থিয়েটার নেই, কোনো যোগ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ নেই, লাইসেন্স-অনুমোদন তেমন কিছুই নেই। হাসপাতাল মালিক হেলাল উদ্দিনের ছেলে ফায়সাল আহমেদ নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার শত শত রোগীর চিকিৎসা করে আসছিলেন। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত হাসপাতাল মালিক হেলাল উদ্দিনকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেন; অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে ভুয়া ডাক্তার সেজে রোগী দেখার অপরাধে ফায়সাল আহমেদকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। হাসপাতালটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুন নাহারসহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ডাঃ কামরুন নাহার জানান, “এ ধরনের ভুয়া চক্ষু হাসপাতালের কারণে অনেক রোগী অন্ধত্বসহ স্থায়ী ক্ষতির শিকার হতে পারেন। আমরা এ ব্যাপারে সব সময় সতর্ক আছি। স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদের এত কাছে এতদিন এমন একটি প্রতারণার কেন্দ্র চলছিল, তা তারা ভাবতেও পারেননি। প্রশাসনের এই অভিযানকে তারা সাধুবাদ জানিয়েছেন।


আরোও অন্যান্য খবর
Paris