২৫ অক্টোবর ২০২৬
বিজ্ঞাপন
Amader Rajshahi
শিরোনাম
ফুটপাত দখলমুক্তর পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুর্নবাসনের উদ্যোগ রাসিকেরভূমিমন্ত্রী মিনুকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি২৬ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষকদের পাকাধান কাটার জরুরি আহ্বানচাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই মামলা নেওয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে : আইজিপিবাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা হবে : এমপি মিলনপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকপ্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে কয়েকটি সমঝোতা স্মারকলোকসান-সঙ্কটের অজুহাতে বেসরকারি ব্যবস্থায় দেয়া হচ্ছে আরো অর্ধডজন ট্রেন

বাগমারায় পিতার চক্ষু হাসপাতালে ভুয়া ডাক্তার ছেলে, জেল-জরিমানা

প্রকাশিত: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ | বিভাগ: স্পেশাল নিউজ
বাগমারায় পিতার চক্ষু হাসপাতালে ভুয়া ডাক্তার ছেলে, জেল-জরিমানা
বিজ্ঞাপন

বাগমারা প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা পরিষদ ভবনের পাশেই গড়ে উঠেছিল ‘আল-মক্কা মদিনা চক্ষু হাসপাতাল’ নামের একটি সম্পূর্ণ ভুয়া চিকিৎসা কেন্দ্র। কোনো যোগ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ ছাড়াই, হাসপাতাল মালিকের ছেলে নিজেকে ডাক্তার সাজিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রোগী দেখে আসছিলেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে হাসপাতালটি বন্ধ করে দিয়েছে এবং মালিক ও তার ছেলেকে দণ্ড প্রদান করেছে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুল ইসলাম। তিনি জানান, হাসপাতালে কোনো অপারেশন থিয়েটার নেই, কোনো যোগ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ নেই, লাইসেন্স-অনুমোদন তেমন কিছুই নেই। হাসপাতাল মালিক হেলাল উদ্দিনের ছেলে ফায়সাল আহমেদ নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভবানীগঞ্জ বাজার এলাকার শত শত রোগীর চিকিৎসা করে আসছিলেন। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত হাসপাতাল মালিক হেলাল উদ্দিনকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করেন; অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে ভুয়া ডাক্তার সেজে রোগী দেখার অপরাধে ফায়সাল আহমেদকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। হাসপাতালটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইফুল ইসলাম ভূঁঞা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুন নাহারসহ পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ডাঃ কামরুন নাহার জানান, “এ ধরনের ভুয়া চক্ষু হাসপাতালের কারণে অনেক রোগী অন্ধত্বসহ স্থায়ী ক্ষতির শিকার হতে পারেন। আমরা এ ব্যাপারে সব সময় সতর্ক আছি। স্থানীয়রা জানান, উপজেলা পরিষদের এত কাছে এতদিন এমন একটি প্রতারণার কেন্দ্র চলছিল, তা তারা ভাবতেও পারেননি। প্রশাসনের এই অভিযানকে তারা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

পাঠকদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন